নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা ও পাচার রোধে রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন

মার্চ ২৯, ২০২৬ ৩:৩৮ 👁️ ২৫ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও পাচার রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা করেছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি। রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) রাজশাহী জেলার সীমান্তে এলাকায় অবস্থিত ১২টি পেট্রোল পাম্পে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও আজ থেকে রাজশাহী রেলস্টেশন সংলগ্ন পদ্মা ও যমুনা অয়েল ডিপো এলাকায় চেকপোস্ট পরিচালনা শুরু করেছে। এমনকি সীমান্ত এলাকা পদ্মার চরেও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে নতুন অগ্রগতি

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বাংলাদেশের চাইতে জ্বালানী তেলের মূল্য বেশি। কাজেই বিদ্যমান বিশ্বপরিস্থিতির কারণে একটি অসাধু চক্র জ্বালানী তেল মজুদের পাশাপাশি অধিক মূল্যে বিক্রির আশায় তা সীমান্ত দিয়ে পাচারের চেষ্টা করে আসছে।

রবিবার সকাল ১১টায় রাজশাহী রেল স্টেশনের ভেতরে যমুনা অয়েল কোম্পানীর রেলহেড ডিপোর সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ে ব্যাটালিয়ান-১ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণের রিয়াজ শাহরিয়ার এসব কথা বলেন।

তিনি আরোও বলেন সাম্প্রতিক সময়ের পরিস্থিতিতে কেউ যাতে জ্বালানী তেল অবৈধ ভাবে মজুদ করতে না পারে এবং সীমান্ত দিয়ে যাতে কেউ তা পাচার করতে না পারে এজন্য টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।
অবৈধ মজুতদারি কঠোরভাবে দমন করা।

আরও পড়ুনঃ  পুঠিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান, ৩ জনের কারাদণ্ড

তিনি আরও জানান, রাজশাহী জেলার ৬৪টি পেট্রোল পাম্পের ওপর তারা নজরদারি রাখছেন, যার মধ্যে ১২টি সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত। পাচার ও অবৈধ কার্যক্রম রোধে বিজিবি এখন পর্যন্ত ১৯২টি স্পেশাল পেট্রোল এবং তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেছে। এছাড়াও ২৮৮টি চেকপোস্ট স্থাপন করে ২,৫০০-এর বেশি যানবাহন তল্লাশি করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অবৈধ পাচার সংঘটিত হতে না পারে।

এছাড়াও রাজশাহীর স্থানীয় প্রশাসনক এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহীনীকে সবধরণের সহযোগীতা করছে বিজিবি।

এদিকে আজও রাজশাহীর অনেক পেট্রোল পাম্প গুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
এছাড়াও সামান্য তেলের আশায় অনেক চালককে রাতভর পাম্পের সামনে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  কৃষকদের সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

সাধারণ সময়ের তুলনায় হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোর মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।অনেক পাম্পে তেল নেই লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন। ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত অনেককে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে।
তেল সংগ্রহ করতে আসা মো: সজিব বলেন চার ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে দুইশত টাকার তেল পেয়েছি।

এখন এনিয়ে কতখন চলে দেখি।আরেকজন তেলের ভুক্তভোগী আনিস জানায় মটরসাইকেল এখন চালানোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইচ্ছে করছে নিজের মোটরসাইকেলটি বেঁচে দিয়ে বাইসাইকেল চালিয়ে কাজ করতে।

এছাড়াও দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেকের বলছেন সকাল থেকে তেল নিতেই সময় কেটে যাচ্ছে রাস্তায়। দিনের অর্ধেক সময় যদি পাম্পেই চলে যায়, তবে দৈনন্দিন কাজ করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।