নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় জেলা-উপজেলায় কন্ট্রোল রুম চালু : আইজিপি

অক্টোবর ৭, ২০২৪ ২:৫৩ 👁️ ২২ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ পুলিশ প্রধান মো. ময়নুল ইসলাম বলেছেন, এবার সারাদেশে কম-বেশি সাড়ে ৩১ হাজারের বেশি পূজা মণ্ডপে পূজা উৎযাপন করা হবে। এসব মণ্ডপে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা করার সুযোগ নেই। পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তা দিতে প্রতিটি উপজেলা, জেলা ও পুলিশ হেডকোয়ার্টারে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভীকে রাজশাহী নগর বিএনপির শুভেচ্ছা

সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আইজিপি ময়নুল ইসলাম বলেন, সংখ্যাটা কম বেশি হতে পারে, এবার প্রায় সাড়ে ৩১ হাজার পূজা মণ্ডপে পূজা উদযাপন হবে। এসব পূজা মণ্ডপে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। পূজার আগে আমরা প্রতিটি জায়গায় টহল বাড়িয়েছি। ইতিমধ্যে আনসার ও ভিডিপি মোতায়ন করা হয়েছে। বোধন এবং ষষ্ঠী পূজা থেকে সকল পূজা মণ্ডপে আনসার ও ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা মোতায়ন আছে তারাও পূজার দায়িত্ব পালন করবেন। আমাদের মোবাইল টিম ও স্টাইকিং ফোর্স সবসময় কাছাকাছি দূরত্বে থাকবে। আনসার বাহিনীর সঙ্গে ভলেন্টিয়ার রয়েছে তারাও কাজ করছে। এতে করে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপতৎপরতার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, ইলেকট্রনিক্স বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কেউ যেন মিথ্যা প্রচারণা ও গুজব ছড়াতে না পারে সেই ব্যবস্থা আমাদের চালু আছে। ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারও (এনটিএমসি) কাজ করছে।

আরও পড়ুনঃ  লেখাপড়ার পাশাপাশি ছাত্রসমাজকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

পূজা মণ্ডপ কম বেশি হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিবছরই পূজা মণ্ডপ কম বেশি হয় বিভিন্ন কারণে। এবার কিন্তু ঢাকায় পূজা মণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে। পূজা মণ্ডপের সঙ্গে অন্য কোন কিছু জড়িত না। যেসব পূজা মণ্ডপে আমাদের কাছে ঝুঁকি মনে হয়েছে, সেসব পর্যায় মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা রাখা হয়েছে। কিন্তু সব জায়গায় এটি করা সম্ভব হয়নি। এটা নিয়ে শঙ্কার কিছু নেই।

পুলিশের গরহাজির (অনুপস্থিত) সদস্যদের চাকরিতে রাখার কোন সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইজিপি। তিনি বলেছেন, যারা গরহাজির সদস্য তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ডিপার্টমেন্টের যে অ্যাকশন, তাদেরকে কৈফিয়ত করা হয়েছে তারা কেনো গড়হাজির? তাদের হাজিরের জন্য নোটিশ করা হয়েছে। তারা যদি না আসে আমাদের ব্যবস্থা ক্লিয়ার, তাদের চাকরিতে রাখার কোন সুযোগ নেই।

অনেক পুলিশ কর্মকর্তারা এখনও পুলিশে যোগদান করেনি। কিছু শীর্ষ কর্মকর্তা তারা বিদেশে পালিয়ে গেছে না দেশে আছে সেই তথ্য কেউ জানে না। এই ব্যাপারে আপনাদের কাছে কি তথ্য আছে এমন প্রশ্নের জবাবে ময়নুল ইসলাম বলেন, যারা বিভিন্ন মামলায় আসামি হয়েছেন, আমাদেরও অনেক পুলিশ সদস্য আসামি হয়েছেন, এসব সদস্যদের যাদের সম্পৃক্ততা আমরা পেয়েছি ইতোমধ্যে আমরা সে সকল সদস্যদের অনেককেই আমরা গ্রেফতার করেছি। ১৭ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে সিনিয়র কর্মকর্তারাও রয়েছেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও রয়েছেন। আমাদের অনেক সদস্য রয়েছে যারা মামলার আসামি হয়েছে, আবার অনেকেই যারা বিভিন্ন কারণে এই কর্মস্থলে থাকছেন না।

আরও পড়ুনঃ  দাপ্তরিক নথিপত্রে মহামান্য ও মাননীয় লেখা যাবে না

তিনি বলেন, আমাদের দ্বিতীয় বিপ্লব যেটাকে আমরা বলছি, ছাত্র জনতার অভ্যথ্যনে আমাদের যে বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে তারপরে যারা আন্দোলনে অতিরিক্ত (দমন নিপীড়ন) করেছে তারা কিন্তু নেই। এই সংখ্যাটা নিতান্তই অল্প। আমরা ইউনিট অনুযায়ী স্টপ করে রেখেছি এই সংখ্যাটা মাত্র ১৮৭ জন। ২ লাখ ১৪/১৫ হাজার বাহিনীর সদস্য, সেখানে ১৮৭ জন তারা বিভিন্ন কারণে গরহাজির হতে পারে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।