নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতাল দালাল মুক্ত করার প্রত্যয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ৪:১৭ 👁️ ৮৬ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। একইসঙ্গে তিনি সিলেটে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালগুলোর ড্রেনেজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার যাবতীয় সমস্যা সাত দিনের মধ্যে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না সরকার : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী

শুক্রমন্ত্রী বার (৪ সেপ্টেম্বর) সিলেটে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন। এসময় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একটি চক্র মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে রোগীদের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এ চক্রকে ধরার জন্য ডিজিএফআই ও র‍্যাবসহ সকল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একযোগে কাজ করে ইতোমধ্যে অনেক হাসপাতালে দালাল চক্রের উৎপাত কমিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আইনশৃঙ্খলার অবনতি যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জেলাগুলোতে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানাসহ সিলগালা করা হচ্ছে। পাশাপাশি যেসব ক্লিনিকে অবৈধ চিকিৎসক ও ভুয়া সনদধারী টেকনিশিয়ান দিয়ে অস্ত্রোপচারসহ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে, সেসব প্রতিষ্ঠানও সিলগালা করা হচ্ছে। তিনি নিজে এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংগ্রহ করে অভিযান পরিচালনার বিষয়টি তদারকি করছেন বলেও জানান।

ডাক্তারদের উপস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত এক মাসে ২৫টির বেশি হাসপাতাল পরিদর্শন করে তিনি চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি পেয়েছেন। এছাড়া, চিকিৎসকদের আচরণ ও হাসপাতালের খাবারের মান আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে বলেও রোগীরা জানান।

আরও পড়ুনঃ  নদীর অধিকার ও মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনার দাবি

হামের সংক্রমণ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের পর দীর্ঘদিন নিয়মিত হামের টিকা ক্যাম্পেইন না হওয়ায় দেশে টিকাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা বেড়ে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। ক্যাম্পেইনের পরও নতুন করে টিকাদানের উপযুক্ত হওয়া শিশুদের একটি অংশ এবং সচেতনতার অভাবে সময়মতো টিকা না পাওয়া শিশুরা টিকাবঞ্চিত থেকে গেছে, ফলে তাদের মধ্যে হাম ছড়াচ্ছে। তিনি জানান, বিশ্বব্যাংক ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন এনে টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।#

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।