স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিহার, কর্ণহার, শাহমখদুম, পবা ও বোয়ালিয়া থানা পুলিশের পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও এ্যালকোহলসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী এবং ১ মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেইসাথে মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে মতিহার থানা পুলিশ মিজানের মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মির্জাপুর গ্রামের মো: আ: খালেকের ছেলে মো: শিপন (২৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে, কর্ণহার থানা পুলিশ গত ১৮ অক্টোবর রাত আনুমানিক সোয়া ১১টার দিকে ডাঙ্গেরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শাহমখদুম থানার বড়বাড়িয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত বসির আলীর ছেলে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মো: রহিম উদ্দিন (৩৯)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেইসাথে মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি রহিমের বিরুদ্ধে শাহমখদুম থানায় ৯টি ও কাশিয়াডাঙ্গা থানায় ১টি সহ মোট ১০টি মাদক মামলা রয়েছে।
তাছাড়াও শাহমখদুম থানা পুলিশ গত ১৯ অক্টোবর ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে বড়বনগ্রাম শেখপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মো: আলম সরকারের ছেলে মো: শরিফুল ইসলাম বিপ্লব (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় বিপ্লবের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি বিপ্লবের বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় পেনাল কোড তৎসহ নারী ও শিশু নির্যতন দমন তৎসহ অস্ত্র আইনে মোট ৪টি মামলা রয়েছে।
এদিকে পবা থানা পুলিশ একই তারিখ দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে হাট রামচন্দ্রপুর গ্রামের মো: আব্দুল মান্নানের ছেলে মো: বাবলু ওরফে মো: বাবলু আলী (৪৪)-এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে বাবুল’কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার বসতবাড়িতে তল্লাশি করে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১২ বোতল এ্যালকোহল উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও বোয়ালিয়া থানা পুলিশ একই তারিখ দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে পঞ্চবটি খরবোনা নদীর বাধ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মীরেরচক গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে মো: নাঈম (৩৫)-কে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজশাহীতে আসামির স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হলে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়।
আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

