পলাশ পাল, নেত্রকোনা : নেত্রকোনার সদর উপজেলার সিংহের বাংলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার বুদ্বিয়ার জঙ্গল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে জঙ্গলে মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে ওই ব্যক্তির হাত গামছা দিয়ে বাঁধা এবং পায়ে টেপ প্যাঁচানো অবস্থায় দেখতে পায় পুলিশ।
পরে নিহতের স্ত্রীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহতের নাম রুকন বলে জানা গেছে। তাঁর বাড়ি নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুরের পূর্বপাড়া এলাকায়। তিনি ভাড়ায় অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাঁর শ্বশুরবাড়ি মৌলভীবাজার এলাকায়।
পুলিশ ও পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রাত থেকে রুকন নিখোঁজ ছিলেন। রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াপাড়া এলাকার বুদ্বিয়ার জঙ্গলে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়।
নেত্রকোনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্বজল কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের হাত গামছা দিয়ে বাঁধা এবং পায়ে টেপ প্যাঁচানো ছিল। শরীরে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন তেমন দেখা না গেলেও চোখে রক্তাক্ত আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কারণে রুকনকে হত্যা করা হয়েছে—তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

