নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

প্রধান বিচারপতির বাসভবনকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ঘোষণার উদ্যোগ

অক্টোবর ১০, ২০২৪ ৮:৪০ 👁️ ২৫ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : প্রধান বিচারপতির বাসভবনকে পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৯ হেয়ার রোডের ওই বাসভবনকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণার জন্য এরইমধ্যে কার্যক্রমও শুরু করেছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

আরও পড়ুনঃ  কৃষকদের সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতির পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ এই স্থাপনাটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের মাধ্যমে সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মো.মোয়াজ্জেম হোছাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুরাকীর্তি আইন, ১৯৬৮ অনুযায়ী এটি সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যতে কেউ ভবনটির আকার পরিবর্তন করতে পারবে না।’

আরও পড়ুনঃ  যেকোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুরাকীর্তি আইন, ১৯৬৮–এর বিধান প্রয়োগের মাধ্যমে বাসভবনটির মালিকানা ও ব্যবহার স্বত্ব সুপ্রিম কোর্টের অনুকূলে অক্ষুণ্ন রেখে দৃষ্টিনন্দন ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটি সংরক্ষণ করা হবে। এতে এটি একটি জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই স্থাপনার সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন হবে।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সভাকক্ষে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ৬ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী ঢাকাতে স্থানান্তরিত হলে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য যে সকল আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল তার মধ্যে এই ভবনটি অন্যতম। ১৯০৮ সালে নির্মিত অনন্য এ স্থাপনার নির্মাণ শৈলীতে মোঘল ও ইউরোপীয় ধ্রুপদি স্থাপত্যরীতির মিশ্রণ পরিলক্ষিত হয়।

আরও পড়ুনঃ  অপতথ্য ঠেকাতে সাংবাদিকদের আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান তথ্যপ্রতিমন্ত্রীর

১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়ে যাওয়ার পর এই ভবনটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হলেও ১৯৫০ এর দশকের শুরু হতে ভবনটি প্রধান বিচারপতির বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শতবর্ষী এ স্থাপনাটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হলে উহা ভবনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় এর ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিকট স্থাপনাটির গুরুত্ব ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।