নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

ভূমিকম্পে ঝুঁকি এড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা

নভেম্বর ২৫, ২০২৫ ১২:০০ 👁️ ৫২ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : দেশে সম্প্রতি চার দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে গত ২১ নভেম্বর সকালে স্মরণকালের অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ঢাকাসহ সারাদেশ, যেখানে কয়েক জনের প্রাণহানিও ঘটে। একের পর এক এসব ঘটনার পর ভূমিকম্প নিয়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সতর্কতামূলক জরুরি দিকনির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আরও পড়ুনঃ  ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পুতিন, যাচ্ছেন না তারেক রহমান

সোমবার (২৪ নভেম্বর) দেশের সব অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো চিঠিতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাউশি।

এতে বলা হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো শনাক্ত করে প্রয়োজন হলে অস্থায়ী ক্লাসরুম চালু করা বা অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ভূমিকম্পের সময় করণীয় সম্পর্কে সচেতন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  উপকূলীয় ও দুর্গম অঞ্চলের জন্য সৌরবিদ্যুৎ চালিত থ্রি-হুইলার অ্যাম্বুলেন্স উদ্ভাবন

চিঠিতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলোর প্রেক্ষাপটে সারা দেশের মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। ভূমিকম্পের সময় শান্ত থাকা, ভবনের ভেতরে থাকলে ডেস্ক বা টেবিলের নিচে আশ্রয় নেওয়া, বাইরে থাকলে খোলা জায়গায় চলে যাওয়া, লিফট ব্যবহার না করা, কম্পন থামলে সিঁড়ি দিয়ে বেরিয়ে আসা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য, পানি ও ফার্স্ট এইড কিট সংগ্রহে রাখা—এসব নির্দেশনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ভবন-স্থাপনার ক্ষেত্রে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্তকরণ, মেরামত, সতর্কতা চিহ্ন স্থাপন এবং প্রয়োজনে বিকল্প ক্লাসের ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিয়েছে মাউশি। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  রাসিকের ফগার স্প্রে ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন

উল্লেখ্য, গত শনিবার ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড ও ৬টা ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ডে হওয়া ভূমিকম্প দুটির প্রথমটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৭ এবং দ্বিতীয়টির মাত্রা ৪ দশমিক ৩। দুটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার বাড্ডা ও নরসিংদী। এর আগে শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিট ১২ সেকেন্ডে আরও একটি কম্পন রেকর্ড করা হয়, যার মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। এর উৎপত্তি নরসিংদীর পলাশে।

এর আগের দিন শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে নরসিংদী এলাকায় সংঘটিত শক্তিশালী ভূমিকম্পে দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে দেশজুড়ে প্রাণহানি ও হতাহতের খবরও পাওয়া গেছে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।