নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

সংকট না থাকলেও বগুড়ায় চালের দাম ২–৪ টাকা বেড়েছে

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৪ ৬:৫০ 👁️ ২৮ views
Link Copied!

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার খুচরা বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি দুই থেকে চার টাকা। বিক্রেতারা বলছেন, চালের প্রকার ভেদে দাম আরও বাড়বে। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়তে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে চালকল মালিকেরা বলছেন, আড়তে চালের কোন সংকট নেই, দামও বাড়ানো হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  লক্ষ্মীপুরে ২২ ভরি স্বর্ণ নিয়ে উধাও, স্ত্রীসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

রোববার শহরের ফতেহ আলী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, স্থানীয় কাটারি চাল ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৬৬ টাকা কেজি। পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে ৭২ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে ছিল ৭০ টাকা কেজি। বিআর-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫৫ থেকে ৫৭ টাকা কেজি। বিআর ৪৯ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫৭ টাকা। স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫৫ টাকা। মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি, এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬৮ টাকা। নাজির শাইল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে ছিল ৭৭ টাকা কেজি।

আরও পড়ুনঃ  জয়পুরহাটে মাদকের বড় চালানসহ আটক ২, সেবনে দণ্ড ২ জনের

ফতেহ আলী বাজারে চাল কিনতে আসা নির্মল বসাক ও মাজেদুর রহমান বলেন, ‘গত সপ্তাহের চেয়ে কেজি প্রতি দুই থেকে তিন টাকা বেশি দরে চাল কিনতে হলো।’ তারা বলেন, ‘এভাবে চালের দাম বাড়তে থাকলে আমাদের মত নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সংসার চালানো কষ্টকর।’

চাল বিক্রেতা সোহেল শেখ বলেন, ‘খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে মজুত না থাকার কারণে চালের মূল্য নির্ধারণ করে দিচ্ছে করপোরেট ব্যবসায়ীরা। আর এ কারণেই চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী।’ একই বাজারের চাল বিক্রেতা অখিল চন্দ্র এবং জুয়েল হাসান বলেন, ‘নতুন ধান বাজারে না আসা পর্যন্ত চালের দাম বাড়তে থাকবে। মৌসুম শেষ এ কারণে বাজারেও ধানের সংকট রয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ  কলকাতা- বেনাপোল -খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুই বছর পর চালু হচ্ছে

তবে বগুড়া চাল কল মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল হামিদ বলেন, ‘ধান চালের কোন সংকট নেই, আড়তেও দাম বাড়ানো হয়নি। খুচরা বিক্রেতারা তাদের ইচ্ছে মত দাম বাড়াচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কাটারি এবং বিআর-২৯ ধানের চালের চাহিদা বাজারে বেশি। রোববারেও পাইকারি বাজারে কাটারি ৫৬ টাকা এবং বিআর-২৯ চাল ৪৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।’

এ বিষয়ে সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হারুন-উর রশিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতি বছর এ সময় চালের দাম বাড়তে থাকে। নতুন ধান বাজারে না আসা পর্যন্ত দাম বাড়বে। তবে চালকলগুলোতে খাদ্য বিভাগের অভিযান চলমান। কোথাও অতিরিক্ত ধান চাল মজুত পাওয়া যায়নি।’

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।