নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

জুন ২২, ২০২৬ ৬:৪৮ 👁️ ১৭৬ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর সাথে সোমবার (২২ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ সাক্ষাৎ করেন।

আরও পড়ুনঃ  দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় ও সমন্বয় সভা

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মার নেতৃত্বে আট সদস্যের এক প্রতিনিধিদল এই সাক্ষাতে অংশ নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং অর্পিত সম্পত্তি আইনসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে পুলিশের অভিযানে ৪ মাদকসেবী গ্রেপ্তার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সর্বজনীন অধিকারে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে কক্সবাজারের রামু, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু নির্যাতনের যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
সাক্ষাৎকালে পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার লক্ষ্যে একজন ‘ফোকাল পয়েন্ট’ কর্মকর্তা নির্ধারণের দাবি জানান। মন্ত্রী অত্যন্ত সহানুভূতির সাথে দাবিটি বিবেচনার এবং তা দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রদান করেন।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশ মেধাবৃত্তি শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মানী, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ

আলোচনাকালে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে হরিদাস চন্দ্র কর্তৃক রামমন্দির নির্মাণ এবং অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তী কর্তৃক দেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী বক্তব্য প্রদানের বিষয়টি উত্থাপিত হয়। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষাকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে সকল সম্প্রদায়েরই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা আবশ্যক।”

তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে—এমন যেকোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।

#

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।