নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন

অক্টোবর ২১, ২০২৬ ১১:০১ 👁️ ৮ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দেশটির প্রশাসন এখন পর্যন্ত তিন লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে। দেশটিতে অবৈধ অভিবাসনবিরোধী ব্যাপক অভিযান চলমান থাকার প্রেক্ষাপটে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  প্রি-পেইড মিটারের গ্রাহকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভিসা বাতিলের গতি অতীতের চেয়ে অনেক বেড়েছে। এর আগে গত ১০ আগস্ট পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত তথ্যে দেখা গিয়েছিল, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শুরুর পর থেকে বাতিল করা ভিসার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজারের কিছু বেশি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বার্তায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট উল্লেখ করেন, ‘ইতিহাসের যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুতগতিতে বেশি ভিসা বাতিল করেছে।’ তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত কোনো বিদেশি নাগরিক আইন ভঙ্গ, জালিয়াতি কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে প্রতীয়মান হলে সরকার কোনো নমনীয়তা প্রদর্শন করবে না।

আরও পড়ুনঃ  ছয় মাসে ব্যাংকগুলোর মুনাফা কমেছে ১৭.৫ শতাংশ!!

অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বহিষ্কার ও অভিযান চালানো হচ্ছে বলে দাবি প্রশাসনের। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে এসব পদক্ষেপের ফলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে এবং জাতিগত সংখ্যালঘুদের অন্যায়ভাবে নিশানা করার আশঙ্কা বাড়ছে।

সমালোচিত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ফিলিস্তিনপন্থি বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিল এবং রক্ষণশীল রাজনৈতিক ভাষ্যকার চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দেখানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো ঘটনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি বিক্ষোভকারীদের তাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ অভিবাসী ও ভিসাপ্রত্যাশীদের সামাজিক মাধ্যমের গতিবিধি যাচাইয়ে কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  অসহায় বিচারপ্রার্থীদের পাশে লিগ্যাল এইড: ঢাকায় ৩ মাসে ২৪০ হাজতির!

মানবাধিকারকর্মীদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং বিচ্ছিন্ন কিছু আর্থিক প্রতারণাকে কেন্দ্র করে মিনেসোটার সোমালি-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মতো অভিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর সামগ্রিক নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। যদিও ২০২৪ সালের নির্বাচনী লড়াইয়ে ট্রাম্প কেবল অননুমোদিত অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তবে তাঁর প্রশাসনের সাম্প্রতিক নীতিমালার কারণে নির্দিষ্ট কিছু কর্মভিসায় অতিরিক্ত ফি আরোপসহ বৈধ অভিবাসনের প্রক্রিয়াও উল্লেখযোগ্যভাবে কঠিন হয়ে পড়েছে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।