অনলাইন ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা ছড়িয়েছিল দ্বিতীয় ওয়ানডেতে। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।
পরে শেষ বলে নিগার সুলতানা জ্যোতির মারা বাউন্ডারিতে জয় পায় বাংলাদেশ। উচ্ছ্বাসে ভাসেন নারী ক্রিকেটাররা। পাকিস্তানের সঙ্গে সিরিজটিও চলে আসে ১-১ সমতায়।
প্রথম ম্যাচে তাদের কাছে হেরেছিল স্বাগতিকরা। শেষ ম্যাচটি তাই হয়ে দাঁড়িয়েছে সিরিজ নির্ধারণী। শুক্রবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি খেলতে নামবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মেয়েরা। এর আগে অধিনায়ক জ্যোতি জানিয়েছেন, সিরিজটি জিততে পারলে তাদের জন্য হবে বড় অর্জন।
বৃহস্পতিবার মিরপুরে তিনি বলেন, ‘ড্রয়ের দিকে তো আর চিন্তাভাবনা নেই। দেখেন, আমাদের হাতে অনেক বড় সম্ভবনা আছে সিরিজটা নেওয়ার। সবকিছু নির্ভর করছে আমাদের ইতিবাচক ক্রিকেট খেলার উপর। আমরা চাই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলে…। আমাদের জন্য অনেক বড় একটা অর্জন হবে, যদি আমরা সিরিজটা নিতে পারি। ’
বাংলাদেশ দল আইসিসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে আছে আট নম্বরে। ১১ ম্যাচে তারা জয় পেয়েছে দুটিতে। পয়েন্ট টেবিলে সেরা আট দল সরাসরি খেলবে বিশ্বকাপে। প্রতিটি ম্যাচই তাই গুরুত্বপূর্ণ দলগুলোর জন্য, সেটি বলছেন অধিনায়কও।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমরা আন্তর্জাতিক সিরিজগুলো খেলছি, আমাদের সুযোগ অনেক বেশি আমাদের র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করা। সেটা হতে পারে পরবর্তী ম্যাচেই। যদি আমরা ভালো ক্রিকেট খেলি, ২টা পয়েন্ট অর্জন করতে পারি, তাহলে র্যাংকিংয়ে আমরা আরো বেশি এগিয়ে যাবো। ’
‘কাল একদম একটা ফ্রেশ ডে। মহান আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া, কারণ আমাদের একটা সুযোগ করে দিয়েছেন। যেভাবে আমরা গত ম্যাচে জিতেছি, অবশ্যই আমাদের জন্য অনেক অনেক বড় একটা সুযোগ থাকবে। আরো ভালো ক্রিকেট খেলে যেন পরবর্তী ম্যাচ জিতে যেন সিরিজটা নিশ্চিত করতে পারি। ’
পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে স্রেফ ৮১ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। ওই ম্যাচ হারে পাঁচ উইকেটে। পরের ম্যাচে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করেও ৯ উইকেটে ১৬৯ রানের বেশি করতে পারেনি। এই অবস্থায় জ্যোতির আশা ব্যাটিংয়ে উন্নতির।
তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যাটিংয়ে সংগ্রাম করছি। যারা থাকছে হয়তোবা অনেক বেশি থাকছে; কিন্তু রান করতে পারছে না বা টপ অর্ডার ভালো করলে মিডল অর্ডার দ্রুত আউট হচ্ছে। এই উইকেটে যদি আমরা আরেকটু ভালো ব্যাটিং করতে পারি…। ’
‘আমি বলবো, আমরা চোখে দেখার মতো যে ইস্যুগুলোর মুখোমুখি হচ্ছি। কালকের ম্যাচে যদি আমরা ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আরেকটু ভালো ক্রিকেট খেলতে করতে পারি, অন্তত ২০০ প্লাস একটা স্কোর দাঁড় করাতে পারি, যদি আগে ব্যাটিং করি, এই রান তাড়া করা তাদের জন্য অনেক কঠিন হবে। ’
‘বোলাররা ভালো ছন্দে আছে, তারা যদি আরেকটু ভালো করে। ভালো করার সুযোগ অনেক বেশি। ফিল্ডাররা যেভাবে সমর্থন দিচ্ছে, একই রকম যদি সেটা দিয়ে যেতে পারে। নির্দিষ্ট দিনে যদি আমরা ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে পারি দল হিসেবে, বলবো যে আমাদের ভালো খেলার সুযোগ বেশি থাকবে। ’