সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ। সোমবার সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং কর্মকর্তার অফিসে প্রতীক বরাদ্দের পর সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আমাকে বাংলাদেশের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতীক নৌকা প্রতীক দিয়ে ধন্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেজন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করএছাড়াও আমার মনোনয়নে বিশাল ভূমিকা রাখার জন্য আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকেও ধন্যবাদ জানাই।
আমি এই অঞ্চলেরই সন্তান, এখানেই আমার জন্ম, এখানেই আমার বেড়ে ওঠা। এখানেই আমার অনেক বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনের বসবাস। নিজ এলাকায় তো রাজনৈতিক পরিচয় প্রয়োজন হয় না। এই এলাকার শতভাগ মানুষ আগামী ৭ জানুয়ারি এই মাটির সন্তান হিসেবে নৌকা প্রতীকে ভোট দিবেন।
আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় এবার পবা-মোহনপুরে ভুগরইল একটা ব্যানার হিসেবে থাকবে, শতভাগ মানুষ নৌকা প্রতীকে ভোট দিবে। এই এলাকার মানুষের ভালোবাসায় আগামী দিনের পথ চলতে চাই।
আগামীতে জাতীয় সংসদ সদস্য হয়ে যদি ফিরে আসতে পারি তবে আমি আপনাদের উন্নয়নে সদা সচেষ্ট থাকবো। এই অঞ্চলের মানুষের ভালোবাসা নিয়ে আগামী দিনের পথচলাকে আরও মসৃণ করতে চাই।
আমি এমনি এমনি নৌকায় ভোট চাইতে আসি নি।
এই নৌকায় ভোট চাওয়ার এখতিয়ার বা হক আমাদের আছে। আমাদের নারী সমাজ আগে সন্তানের পরিচয় দিতো শুধুমাত্র পিতার নামে। এখন সন্তানের পরিচয় হয় মাতা ও পিতার নামে। আমাদের বয়স্ক মানুষরা সমাজে চলতে পারে না, অর্থের কষ্টে ভোগে, শেখ হাসিনা তাদেরকে বয়স্ক ভাতা প্রদান করে।
আমার অন্তসত্ত্বা মায়েরা পুষ্টিকর খাবার খেতে পারে না, সেখানেও শেখ হাসিনা আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। আমাদের সন্তানরা যারা স্কুলে ঝড়ে পড়তো, সেই সন্তানদের শেখ হাসিনা স্কুলমুখী করতে শিক্ষাবৃত্তিসহ জানুয়ারি মাসের এক তারিখে বই তুলে দেয়।
অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে আমি চোখের পানি ফেলতে দেখেছি, সেই জায়গা থেকে শেখ হাসিনা সবাইকে রক্ষা করেছেন। এত অর্জন, এত উন্নয়ন, এই সমস্ত মানুষকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে। সেই উন্নয়ন এবং অর্জনের জায়গায় গিয়ে আমি আপনাদের বিবেকের রায় চাই।
অতীতে আমার দলের কারো মাধ্যমে অত্যাচার-নির্যাতন হয়ে থাকলে হলে আমি প্রার্থী হিসেবে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ভবিষ্যতে চলার পথে যদি কোনো ভুল দেখেন, আমাকে ধরিয়ে দিবেন আমি সংশোধিত করার চেষ্টা করবো। আমি রাজনীতি করি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের, আমি পথ চলি শেখ হাসিনার নেতৃত্বের, নিজেকে কোনোদিন ক্ষমতার জায়গা থেকে ক্ষমতার দম্ভোক্তি করি নি।
আমি অন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রতি সহনশীল। সাধারণ মানুষের পথেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে পথ চলতে চাই। আওয়ামী লীগ বিশাল দল হলেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অন্যদের সম্মান দিতে জানে। এই মাটি ও মানুষের সন্তান হিসেবে আপনাদের বিবেকের রায়টি আগামী ৭ জানুয়ারি আমাকে নৌকা প্রতীকে দিবেন।
আমার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা আমি আমার জন্মভূমি থেকে শুরু করলাম। আপনাদের বিবেকের রায় নিয়ে যদি সংসদে যেতে পারি, এই অঞ্চলে শেখ হাসিনার যে উন্নয়ন সেই গতি ধারাকে আরও বেগবান করতে পারবো।