অনলাইন ডেস্ক: আরাকান আর্মির যোদ্ধারা ইতিমধ্যে রাখাইনে অনেক সামরিক ঘাঁটি, কৌশলগত অপারেশন কমান্ড ঘাঁটি, ব্যাটালিয়ন এবং জান্তার বিভাগীয় সদর দপ্তর দখল করে নিয়েছে।
আরাকান আর্মির যোদ্ধারা ইতিমধ্যে রাখাইনে অনেক সামরিক ঘাঁটি, কৌশলগত অপারেশন কমান্ড ঘাঁটি, ব্যাটালিয়ন এবং জান্তার বিভাগীয় সদর দপ্তর দখল করে নিয়েছে।
মিয়ানমারের রাখাইনে আরাকান আর্মির (এএ) কাছে একে একে পরাজয়ের শিকার হয়েছে জান্তা সেনারা। এর মধ্যে রাজ্যটির অধিকাংশ এলাকা দখল করেছে বিদ্রোহী এই গোষ্ঠীটি। এই অবস্থায় রাজ্যটিকে শিগগিরই জান্তা বাহিনী থেকে মুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে দেশটির তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স।
গত মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছে তারা। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাখাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নারিনজারা নিউজ এই তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, রাখাইন রাজ্যে দেশটির জান্তা বাহিনীর সদস্যরা শিগগিরই আরাকান আর্মির কাছে আত্মসমর্পণ করবেন। জান্তা সেনাদের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে আরাকান আর্মি। রাজ্যটিতে জান্তাদের সব ক্যাম্প দখল করতে আর মাত্র কয়েকদিন লাগবে। সেখানে এখন মাত্র ১০০ জনের মতো জান্তা সেনা অবস্থান করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাখাইনে সামরিক বাহিনীর ছোট-বড় যত ক্যাম্প আছে, তার প্রায় সবগুলোই এখন আরাকান আর্মির দখলে। এসব ক্যাম্পের জান্তা অনুগতরা শিগগিরই আত্মসমর্পণ করবেন। এর বাইরে যেসব ক্যাম্প এখনো আত্মসমর্পণ করেনি, তাদের বিরুদ্ধে আরাকান আর্মির অভিযান অব্যাহত আছে। এক সপ্তাহের মধ্যে আরাকান আর্মির যোদ্ধারা অবশিষ্ট সামরিক ক্যাম্পগুলো দখল করতে পারে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়।
এদিকে, জান্তা সেনাদের আবারও আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছে আরাকান আর্মির যোদ্ধারা। বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা লক্ষ্য করেছি, রাখাইন অঞ্চলজুড়ে বেশ কয়েকটি ঘটনায় জান্তা কমান্ডারদের কারণে অনেক অধস্তন সেনারা আত্মসমর্পণ করতে পারছে না। তাদেরকে আবারও আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাকান আর্মির যোদ্ধারা ইতিমধ্যে রাখাইনে অনেক সামরিক ঘাঁটি, কৌশলগত অপারেশন কমান্ড ঘাঁটি, ব্যাটালিয়ন এবং জান্তার বিভাগীয় সদর দপ্তর দখল করে নিয়েছে।