সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: সোমবার (২১ অক্টোবর) নওগাঁ সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি উপলক্ষে
অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিসেফের সহযোগিতায় জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. মো.
নজরুল ইসলাম।
সভায় জানানো হয়, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে সরকার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে এইচপিভি টিকা সংযোজন করেছে। আগামী ২৪ অক্টোবর হতে জেলার বিভিন্ন স্কুল এবং কমিউনিটিতে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের বিনামূল্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকা ব্যতীত অন্য বিভাগের জেলাগুলোতে এ টিকাদান কর্মসূচি চলবে।
সভায় আরও জানানো হয়, বৈশ্বিকভাবে নারীরা সাধারণত যেসব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তারমধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার চতুর্থ সর্বোচ্চ। প্রতিবছর বিশ্বের ছয় লক্ষাধিক নারী এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় এবং প্রায় তিন লক্ষ বিয়াল্লিশ হাজার জন মৃত্যুবরণ করে। এমৃত্যুর ৯০ শতাংশই বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল বা স্বল্পোন্নত দেশে ঘটে থাকে। বাংলাদেশী নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখ ক্যান্সার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রতি বছর দেশে এ ক্যান্সারে প্রায় পাঁচ হাজার নারী মৃত্যুবরণ করে। জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকার একটি ডোজই যথেষ্ট।
নওগাঁ জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক আবু সালেহ মো. মাসুদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. মুনীর আলী আকন্দ বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ।
জেলার বিভিন্ন স্কুলে এবং জনবসতিপূর্ণ এলাকায় জরায়ুমুখ ক্যান্সার (এইচপিভি) টিকাদান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রচারাভিযান এবং টিকা রেজিস্ট্রেশন জোরদার করার জন্য জেলার স্কাউট ও গার্লস গাইড সদস্যদের বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয় এ সভায়।