ভাঙ্গা প্রতিনিধি : ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার পাশে এক কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষনের ঘটনায় পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে আজিমনগর এলাকা থেকে দুই ধর্ষনকারীকে আটক করে দুপুরে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির জন্য তাদেরকে ফরিদপুর আদালতে প্রেরণ করেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় বোন কুুলসুম বেগম বাদী হয়ে চার জনকে আসামি করে ভাঙ্গা থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা করেন।
গনধর্ষনের শিকার ওই কলেজ ছাত্রী গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী।
আটককৃতরা হচ্ছে ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের ঘোষ গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের পুত্র মোঃ জুয়েল রানা (৩১) ও একই এলাকার মতিউর রহমান (৩০)।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ ডিসেম্বর ওই কলেজ ছাত্রী ডাক্তার দেখানোর জন্য ফরিদপুরে গেলে সেখানে তার পূর্ব পরিচিত শিলা নামের এক মহিলা তাকে ফুসলিয়ে ভাঙ্গা থানার পাশে গ্রীন হাসপাতালের উপরে তিনতলায় শিল্পী আফরোজীর ফ্লাটে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থানরত দুই যুবক ওই মহিলার সহায়তায় রাতভর কলেজ ছাত্রীকে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। পরদিন বিষয়টি মেয়েটি তার পরিবারের কাছে জানালে তার বড় দুই বোনের সহায়তায় ভাঙ্গা থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা করেন। পরে ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ফরিদপুরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোকসেদুর রহমান জানান, গত ৭ ডিসেম্বর ভাঙ্গা থানা এলাকায় ১৭ বছর বয়সের এক ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এঘটনায় জুয়েল ও মতিউর নামে দুই যুবককে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেছি। তারা ২জন ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে ।