অনলাইন ডেস্ক : ম্যানচেস্টার থেকে সিলেট। সেখান থেকে ঢাকা। এরপর ভারতের শিলং। সেখানে ভারতের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক। এরপর ফের ম্যানচেস্টারের ফ্লাইট। আন্তর্জাতিক বিরতি শেষেই ফের গায়ে চাপালেন শেফিল্ডের লাল-সাদা জার্সিটা। কিন্তু এতকিছুর পরেও হামজা যেন আগের মতোই নিখুঁত। কভেন্ট্রি সিটির বিপক্ষে ম্যাচে হামজা ছিলেন দুর্দান্ত।
গোল করেননি, অ্যাসিস্ট নেই। কিন্তু ইংলিশ ক্লাবটির জার্সিতে নেমেই হামজা হয়ে উঠলেন মাঠের সেরা পারফর্মারদের একজন। গোলটাও পেতে পারতেন। শট নিয়েছিলেন একেবারেই নিখুঁত। কিন্তু কভেন্ট্রি গোলরক্ষকের দারুণ সেইভ হতাশ করলো বাংলাদেশি ফুটবলার হামজাকে। তাতে অবশ্য ম্যাচ জিততে সমস্যা হয়নি তার দলের। ৩-১ গোলের সহজ জয়ই পেয়েছে দ্য ব্লেডসরা।
ম্যাচে হামজা খেলেছেন ৮৯ মিনিট। বলে টাচ ৪৮ বার। ৩১ পাসের মাঝে ২৫ পাসই ছিল পুরোপুরি নিখুঁত। ডুয়েল জিতেছেন ২টি। প্রতিপক্ষের বিপজ্জনক পাস আটকেছেন ৪ বার। পুরো ম্যাচে তাকে পার করতে পারেনি প্রতিপক্ষের কোনো খেলোয়াড়। ৮৯ মিনিটে তাই যখন মাঠ থেকে নামছিলেন, তখন পেয়েছেন সবার দাঁড়িয়ে দেয়া করতালি।
হামজাকে উঠিয়ে নেয়ার পরেই গোল হজম করে তার দল শেফিল্ড। কভেন্ট্রির হয়ে গোল করেন জ্যাক রুডোনি। তবে তার আগেই নিজেদের জয় নিশ্চিত করে নেয় শেফিল্ড। গোল পেয়েছিলেন গুস্তাভো হ্যামার, টেরিস ক্যাম্পবেল এবং রিয়ান ব্রুস্টার।
ম্যাচের বেশিরভাগ সময় হামজা খেলেছেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে। ২ টা ট্যাকেল, ৪ টা ইন্টারসেপশন, ১ টা ব্লক, ৩ টা রিকোভারির পাশাপাশি ফাইনাল থার্ডে ৩ বার বল পাস দেন হামজা। দলের জয়ে গোল-অ্যাসিস্ট না করেও হামজা ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই জয়ের পর ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে শীর্ষে উঠে এলো শেফিল্ড ইউনাইটেড। ৩৯ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৮৩। আজ অবশ্য নিজেদের ম্যাচে লিডস জিতলেই তারা চলে যাবে শীর্ষে। গোল ব্যবধানে এগিয়ে যাবে তারা।