×
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০১-২৪
  • ৩১ বার পঠিত
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাইকেল চুরি বেড়েছে। গত দুই মাসে ক্যাম্পাস থেকে ১৪টির মতো সাইকেল চুরি হয়েছে। সবশেষ বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে মমতাজউদ্দিন কলা ভবনের নিচতলা থেকে সাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে। তবে এখন পর্যন্ত চক্রটিকে শনাক্ত করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সমাজকর্ম বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ক্লাস চলাকালীন তার সাইকেলটি চুরি হয়েছে। সকাল ৯-১০টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। ক্লাস শেষে সাইকেল নিতে এসে নির্দিষ্ট জায়গায় পাননি। পরে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। কোথাও না পেয়ে প্রক্টর অফিস ও মতিহার থানায় অভিযোগ দেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে পাওয়া তথ্যমতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেশে এ চক্রের সদস্যরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এরপর সুযোগ বুঝে তালা ভেঙে সাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান। অনেককে আবার চশমা পরে স্মার্ট লুকে সাইকেল চুরি করতে দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের বেশ নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন তাদের ধরতে ব্যর্থ হচ্ছে।

সাইকেল চুরি চক্রকে শনাক্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পয়েন্ট পোস্টারিং করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক, কাজলা গেট, টুকিটাকি চত্বর, প্যারিস রোড, পরিবহন মার্কেট, শহীদুল্লাহ কলাভবন, সিরাজী ভবনসহ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সেঁটে দেওয়া হয়েছে এসব পোস্টার। পোস্টারে ‘চিহ্নিত সাইকেল চোর’, ‘এদের ধরিয়ে দিন’ এমন সব লেখা দেখা গেছে। প্রত্যেক পোস্টারে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে সংগ্রহ করে চোরের ছবি লাগানো হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের সবার সাইকেলগুলোই নতুন। কয়েকমাস ব্যবহার করা হয়েছে। চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেক শিক্ষার্থী সাইকেল নিয়ে ক্যাম্পাসে যাচ্ছেন না।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, চোর ধরার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন থানার পুলিশ প্রশাসনের। আমরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চোরকে শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। ফুটেজ থেকে পাওয়া ভিডিও ও ছবি মতিহার থানায় পাঠানো হচ্ছে। আমরা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বসে এ নিয়ে কথা বলবো। আমরা সবসময় এটা নিয়ে তৎপর আছি।

তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে দুটি সাইকেল গ্যারেজ করতে টেন্ডার পাস হয়েছে। যতদ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করা হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মতিহার থানার পরিদর্শক হাফিজুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় একটি বড় এরিয়া। এ চক্রের সদস্যরা শিক্ষার্থী বেশে ক্যাম্পাসে আসায় তাদের শনাক্ত করতে আমাদের বেগ পেতে হচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলো নিয়ে আমাদের টিম কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat