নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

নতুন বিশ্ববিদ্যালয় কাঠামো প্রত্যাহারের দাবিতে রাজশাহী কলেজে শিক্ষকদের মানববন্ধন

ডিসেম্বর ৩, ২০২৫ ৯:২৫ 👁️ ৭০ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ‘স্কুলিং’ পদ্ধতি বাতিল এবং একাডেমিক ও প্রশাসনিক সব পদে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারকে স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করে অধ্যাদেশ জারি এবং উচ্চশিক্ষার বানিজ্যিকীকরণ রোধের দাবি জানিয়েছেন বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন, রাজশাহী কলেজ ইউনিট।

আরও পড়ুনঃ  নিয়ামতপুরে পুকুরে ভাসছিল মরদেহ

কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বেলা ১২টায় রাজশাহী কলেজ প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা মাথাপিছু সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় মারাত্মকভাবে বঞ্চিত। এমনকি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তুলনায়ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ কম।

আরও পড়ুনঃ  সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

তারা জানান, দেশের সব সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীদের জন্য মাথাপিছু বরাদ্দ বৃদ্ধি, আবাসন ও পরিবহন সুবিধা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষক সংকট নিরসনসহ সামগ্রিক সমস্যা সমাধানে সরকারের জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

শিক্ষকরা দাবি করেন, ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পাঠদান নির্বিঘ্ন রাখতে প্রস্তাবিত নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক সব স্তরে কেবল বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যদের স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। এই বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানান তারা।

তারা আরও জানান, সাত কলেজকে কেন্দ্র করে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের মতামত উপেক্ষা করা হচ্ছে। দাবি পূরণ না হলে দেশের সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারিও দেন তারা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ৪ ডিসেম্বর সাত কলেজে পাবলিক পরীক্ষা বন্ধসহ সর্বাত্মক কর্মবিরতি এবং ৬ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  মাছে খাচ্ছে কৃষির সার, চাহিদা তুলনায় সরবরাহ কম, বাগমারায় সার সংকটের নেপথ্যে

শিক্ষকরা জানিয়েছেন, তাঁদের দাবি বিবেচনায় না নিয়ে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে দেশের সব সরকারি কলেজ ও দপ্তরে অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক কর্মবিরতি (টোটাল শাটডাউন) শুরু হবে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. যহুর আলী, অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শাহ মো. মাহবুব আলম, যুগ্ম সম্পাদক ড. মো. জহুরুল ইসলাম, সদস্য ড. মোছা. জামিলা খাতুনসহ অন্যান্য শিক্ষক।

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।