নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

তথ্য অধিকার নিশ্চিত করে সুশাসন

অক্টোবর ১৮, ২০২৩ ১১:৫৫ 👁️ ১৩৬ views
Link Copied!

শামীম আহমেদ : জনৈক প্রীতম মুখার্জী বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার কলসকাঠী জমিদার বাড়ির বিশ্বেশ্বর রায় চৌধুরী ওয়ারিশগণের সার্টিফিকেট প্রাপ্তি এবং তারা জীবিত আছেন কি না ? জীবিত থাকিলে তাহাদের ভোটার তালিকা, জাতীয় পরিচয় পত্র, সদ্য তোলা ছবি ও মোবাইল নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য জানতে চেয়ে ০২.১২.২০২১ ইং তারিখে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ৮(১) ধারা অনুসারে সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (আরটিআই), ৯ নং কলসকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল বরাবর আবেদন করেন। উল্লেখ্য জনৈক্য বিশ্বেশ্বর রায় চৌধুরীর মালিকানাধীন সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য কলসকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ, বাকেরগঞ্জ এর চেয়্যারম্যান প্রদত্ত ওয়ারিশ সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে বরিশালের বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ ১৪২/২০১৪ নং গার্ডিয়ানশিপ মোকদ্দমায় ০৯.০৩.২০১৫ ইং তারিখে গার্ডিয়ানশিপ সার্টিফিকেট প্রদান করেন এবং একই আদালত ২৭/২০১৫ নং পারমিশন মোকদ্দমায় বিবেচ্য জমি বিক্রয়ের জন্য জনৈক ববিতা মুখার্জীকে অনুমতি প্রদান করেন।

 

প্রীতম মুখার্জী তার আবেদনে আরও জানতে চান উত্তরাধিকার আইন ১৯২৫ (১৯২৫ সনের ৩৯ নং আইন) এর ৩৭০-৩৮০ ধারায় উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট প্রদানের উল্লেখ রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলার বিজ্ঞ জেলা জজ বা জেলা জজের আদেশক্রমে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ আদালত সাকশেসন সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকেন। এছাড়া অভিভাবক বা প্রতিপাল্য আইন ১৯৮০ (১৯৮০ সনের ৮ নং আইন) এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নাবালকের পক্ষে বাস্তবিক অভিভাবক বরাবরে গার্ডিয়ানশিপ সার্টিফিকেট এবং জমি বিক্রয়ের অনুমতির বিধান রাখা হয়েছে। উত্তরাধিকারী ব্যতিরেকে উত্তরাধিকার সার্টিফিকেট এবং গার্ডিয়ানশিপ সার্টিফিকেটের জন্য বিজ্ঞ আদালতে আবেদন করার কোনো সুযোগ নেই। তারপরও কলসকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ, বাকেরগঞ্জ এর চেয়্যারম্যান, সচিব, ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রদত্ত ওয়ারিশ সার্টিফিকেটের প্রদান করা হয়েছে। অথচ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিশ্বেশ্বর রায় চৌধুরীর বৈধ ওয়রিশদের সার্টিফিকেট বহাল থাকা অবস্থায় কোনো লিখিত নোটিশ ব্যতিরেকে এবং উত্তরাধিকারীদের আবেদন ব্যতিরেকে ৩য় পক্ষের আবেদনক্রমে ওয়ারিশ সনদপত্র প্রদানের সুযোগ আছে কি না সে বিষয়ে তথ্য চান।

নির্ধারিত সময়ে তথ্য না পেয়ে অভিযোগকারী ২৩.১২.২০২১ ইং তারিখ চেয়ারম্যান ও আপীল কর্তৃপক্ষ (আরটিআই), ৯ নং কলসকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল বরাবর আপীল আবেদন করেন। আপীল আবেদনের পরেও কোনো তথ্য না পেয়ে, অভিযোগকারী সংক্ষুব্ধ হয়ে ১৮.০১.২০২২ ইং তারিখে তথ্য কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন। তথ্য কমিশন অভিযোগটি পর্যালোচনান্তে শুনানির জন্য গ্রহণ করে। তথ্য কমিশন অভিযোগের বিষয়ে ১২.০৪.২০২২ তারিখ নির্ধারণ করে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে Zoom Apps ব্যবহার শুনানি গ্রহণের জন্য অভিযোগকারী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতি সমন জারি করে। শুনানির ধার্য তারিখে উভয়ই গরহাজির এবং অভিযোগকারীর সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আবেদন মঞ্জুরপূর্বক পরবর্তি ২৫.০৪.২০২২ তারিখ নির্ধারণ করে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে Zoom Apps ব্যবহার করে শুনানি গ্রহণের জন্য তথ্য কমিশন থেকে অভিযোগকারী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতি সমন জারি করা হয়। শুনানির ধার্য তারিখে অভিযোগকারীর পক্ষে প্রতিনিধি প্রীতম মুখার্জী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(আরটিআই) এবং চেয়ারম্যান Zoom Apps এর মাধ্যমে সংযুক্ত হন ।
শুনানিতে অভিযোগকারীর পক্ষের প্রতিনিধি জানান,তিনি তথ্য পাননি। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(আরটিআই) জানান, তিনি চেয়ারম্যান এর সাথে কথা বলেছেন, এরকম কোনো ওয়ারিশকে সার্টিফিকেট দেননি। ১৫ বছর আগে জন্ম-মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশন রক্ষণাবেক্ষণ করা হতো না মর্মে উল্লেখ করেন। শুনানিতে ইউপি চেয়ারম্যান জানান, ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী ওয়ারিশ সার্টিফিকেটের জন্য দরখাস্থ করতে হয়, এরকম কোনো ওয়ারিশ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি। তথ্য কমিশন উভয় পক্ষের বক্তব্য ও সার্বিক বিষয় পর্যালোচনান্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(আরটিআই)-কে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য সরবরাহের নির্দেশনা দেন। কলসকাঠি ইউনিয়নের সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (আরটিআই) ইচ্ছাকৃতভাবে সরবরাহযোগ্য তথ্য প্রদান না করে তথ্য প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করায় তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ২৭ (১)(ঙ) ধারা মোতাবেক তাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করে বিষয়টি মিমাংসা করেন। কোনো নাগরিক তথ্যপ্রাপ্তিতে বাধাগ্রস্ত হলে এবং সেক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতি তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ধারা ২৫ এবং ধারা ২৭ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়, জরিমানা করার বিধান রয়েছে এবং ক্ষেত্র বিশেষে তথ্য সরবরাহে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অবহেলাকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে বিভাগীয় শাস্তি প্রদানেরও বিধান রয়েছে । ২০১১ সাল থেকে অদ্যাবধি মোট ৮০টি অভিযোগের ক্ষেত্রে তথ্য কমিশন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে গুরুত্ব বিবেচনায় ক্ষতিপূরণ/জরিমানা/বিভাগীয় শাস্তি প্রদান করেছে। ২০২২ সালে দায়েরকৃত ০৬টি অভিযোগে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতি শাস্তি আরোপ করেছে ।
তথ্য অধিকারকে জনগণের ক্ষমতায়নের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা নাগরিকের অন্যতম মৌলিক অধিকার। তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নাগরিকের চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতারই অবিচ্ছেদ্য অংশ। জনগণের মধ্যে এ আইনের চর্চা বৃদ্ধি করা গেলে সরকারি- বেসরকারি সকল সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি পাবে, ফলে দুর্নীতি হ্রাস পাবে এবং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এটি একটি জনবান্ধব আইন। তথ্যের অবাধ প্রবাহ সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রণীত হয় তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯। আইনটি সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা সৃষ্টির পাশাপাশি সরকারের দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি করে এবং প্রকারান্তরে তা সরকারি-বেসরকারি সকল স্তরের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা-জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। জনগণের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও জনসাধারণের একটি বড়ো অংশের সচেতনতার অভাব, আইন বিষয়ে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া ইত্যাদি তথ্য অধিকার আইনের সফল বাস্তবায়নের পথে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন তথা জনগণের তথ্যের অধিকার নিশ্চিতকরণে তথ্য কমিশনের কার্যক্রমের পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য অংশ তথা- বেসরকারি সংস্থা, নাগরিক সমাজ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, উচ্চ আদালত এবং সর্বোপরি সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে কিছু প্রতিবন্ধকতা/চ্যালেঞ্জ রয়েছে। Official Secrecy Act, 1923- , ১৯২৩- এই আইনটি দাপ্তরিক গোপনীয়তা বজায় রাখা সংক্রান্ত। তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সালে পাস হলেও ঝবপৎবপু অপঃ দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলনের কারণে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারিদের মাঝে দাপ্তরিক গোপনীয়তা বজায় রাখার প্রবণতাটি এখনও বিদ্যমান রয়েছে যা তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে। তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসমূহের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের নিমিত্ত কোনো আর্থিক বরাদ্দ না থাকায় প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানো সম্ভব হয় না । প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ তথ্য অধিকার আইনে যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে, সেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তথ্য প্রদানে যথাযথ সুযোগ-সুবিধা যেমন- অন্যান্য কর্মকর্তাগণের যথাসময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সঠিক তথ্য সরবরাহকরণ, দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সরবরাহ প্রভৃতি সীমাবদ্ধতা রয়েছে । জনসচেতনতা সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দেশের তৃণমূল পর্যায়ের জনগণ এখনও এই আইন সম্পর্কে অবগত নয়। অনলাইনে জনগণের তথ্য প্রপ্তিতে Online Tracking Systemএর প্রয়োগ এখনো চালু না হওয়ায় সহজে তথ্য প্রাপ্তিতে সমস্য সৃষ্টি হচ্ছে।
আইনটিকে দ্রুত ও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসমূহকে পদক্ষেপ গ্রহণের নিমিত্ত আর্থিক বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে উৎসাহ প্রদান করা, লজিস্টিক সাপোর্ট এবং আর্থিক বরাদ্দ নিশ্চিত করার পাশাপাশি অন্যান্য কর্মকর্তাগণের যথাসময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সঠিক তথ্য সরবরাহে সহায়তা প্রদানে উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে। তথ্য অধিকার আইন সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্ব-প্রণোদিতভাবে তথ্য প্রকাশ করতে হবে। ‘স্বপ্রণোদিত’ তথ্য প্রকাশের বিষয়ে কর্তৃপক্ষসমূহকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। এর ফলে সঠিকভাবে তথ্য সংরক্ষণ সম্ভব হবে এবং স্বপ্রণোদিতভাবে তথ্য প্রকাশের আগ্রহও সৃষ্টি হবে। অনলাইনে জনগণের তথ্য প্রপ্তিতে Online Tracking System সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। তৃণমূল পর্যায়ের জনগণকে তথ্য অধিকার বিষয়ে সচেতন করতে তথ্য অধিকার আইনের ব্যাপক প্রচার করা যেতে পারে।
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ পাশের মাধ্যমে জনগণের তথ্য প্রাপ্তির একটি আইনি ভিত্তি তৈরি হয়েছে। জবাবদিহিমূলক, দুর্নীতিমুক্ত ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে পরিণত করতে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। তথ্যের অবাধ প্রবাহ ও জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা এই আইনের মূল লক্ষ্য। সকল প্রতিষ্ঠান তাদের স্ব স্ব তথ্য উন্মোচনের মাধ্যমে এই প্রবাহ বজায় রাখলে তবেই এই আইনটির প্রণয়ন সফল হবে, তৈরি হবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, প্রতিষ্ঠা পাবে সুশাসন। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এবং নতুন বিশ্বায়ন ব্যবস্থায় সমাজ পরিবর্তন হচ্ছে। অফিস আদালতের কার্যক্রম, সেবা প্রদান পদ্ধতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে এবং তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে তথ্য সংবলিত জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর। খাঁটি দেশপ্রেম এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে নতুন এক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অবশ্যই ইতিবাচক অবদান রাখবে।
লেখক: এনজিও কর্মী

পিআইডি ফিচার

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।