নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

তারেক রহমানের উপহার নিয়ে অসুস্থ দম্পত্তির পাশে বিএনপি নেতা অধ্যাপক কামাল হোসেন

মার্চ ৩০, ২০২৫ ৮:৩২ 👁️ ২৭ views
Link Copied!

হেলাল উদ্দীন, বাগমারা : রাজশাহীর বাগমারার অসুস্থ সেই দম্পত্তির পাশে তারেক রহমানের উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামাল হোসেন তাঁর পক্ষে ঈদের উপহার, শুভেচ্ছা কার্ড ও নগদ অর্থ পৌঁছে দেন।

আরও পড়ুনঃ  বাগমারায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোর অনলাইনে” খুপরি ঘরে যন্ত্রণায় কাতরান স্বামী-স্ত্রী” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। আজ বিকেলে বিএনপি নেতা কামাল হোসেন দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে অসুস্থ শমসের দম্পত্তির বাড়িতে যান। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বাক্ষর করা ঈদ কার্ড শসমসের দম্পত্তির হাতে তুলে দেন। এসময় তারেক রহমানের পক্ষে ঈদ উপহার হিসেবে ঈদের বাজার ও চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ তুলে দেন। তিনি অসুস্থ দম্পত্তির শরীর ও চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। উপহার পেয়ে দম্পত্তিরা খুশি হন। এসময় নিজেরা বাঁচার আঁকুতি জানান।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতির সাথে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাগমারার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার কসবা গ্রামের শমসের আলী (৫৯) ও পারভীন বিবি (৪৫) দম্পতি। শমসের ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করতেন। সেই টাকায় সংসার চালাতেন। স্ত্রীর স্তন ক্যানসারের চিকিৎসাও এই টাকাতেই যতটুকু পারতেন, তা দিয়ে করতেন। দেড় বছর আগে কাজ করা অবস্থায় হঠাৎ বাঁ পায়ে আঘাত পান শমসের। সেই আঘাত থেকে পায়ে ক্ষত তৈরি হয়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের কারণে তা ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। টাকার অভাবে তাঁরা চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না।

এই দম্পতির দুই মেয়ে। দুজনের বিয়ে হয়ে গেছে। তাঁরা স্বামীর বাড়ি থেকে মাঝেমধ্যে মা-বাবার খোঁজখবর নেন, খাবার পাঠান। কিন্তু চিকিৎসা করানোর মতো সামর্থ্য তাঁদের নেই।

পারভীন বিবি বলেন, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁর স্তন ক্যানসার ধরা পড়ে। সে সময় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক দ্রুত চিকিৎসা ও কেমোথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দেন। মাত্র দুটি থেরাপি নেওয়ার পরই জমানো টাকা শেষ হয়ে যায়। চিকিৎসাও বন্ধ হয়ে যায়। পরে আর চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  পুঠিয়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ, এবং জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ

শমসের আলী বলেন, প্রতিদিন ওষুধ কেনা, ড্রেসিংসহ দেড় হাজার টাকা খরচ হয়। তিন বেলা ভালো করে খেতেই পারেন না। এরপর তো চিকিৎসা করাবেন! তারেক রহমান যে ঈদের উপহার পাঠিয়েছেন এবং সহযোগিতা করেছেন এজন্য খুশি। রোগ যন্ত্রণার মধ্যে আপাতত চিকিৎসা চালিয়ে নিতে পারবেন। তিনি এই প্রতিবেদককের মাধ্যমে তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।
কামাল হোসেন বলেন, পরিবারটি অসহায়। অসহায়, দুঃস্থদের পাশে থাকার জন্য তারেক রহমানের নির্দেশনা রয়েছে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।