নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

থাইল্যান্ডে স্কুলে গুলিতে নিহত ৪, আহত ১৫ শিক্ষার্থী

আগস্ট ৭, ২০২৬ ৫:১৬ 👁️ ৫১ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উত্তরে একটি স্কুলে গুলির ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত এবং ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে জামায়াতের থানা দায়িত্বশীল সম্মেলন

উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোলাপি সুয়ানচুই স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম থাই পিবিএসকে জানিয়েছেন, ননথাবুরি প্রদেশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে হামলায় দুই শিক্ষার্থী ও দুই শিক্ষক নিহত হয়েছেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

পোলাপি জানান, আহত শিক্ষার্থীদের কেউ গুলিবিদ্ধ হয়নি। হামলার সময় আতঙ্কে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তারা আহত হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমে কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, হামলাকারী ওই স্কুলেরই এক কিশোর শিক্ষার্থী ছিল এবং সে মারা গেছে। তবে তাকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে, নাকি সে আত্মহত্যা করেছে— এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন পাওয়া গেছে।

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল ব্যাংককের সরকারি ভবনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি অত্যন্ত ভয়াবহ ঘটনা। এমন ঘটনা কখনোই হওয়া উচিত নয়। আমাদের দেশে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটতে পারে?’

উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোলাপি জানান, হামলাকারী একটি হ্যান্ডগান ব্যবহার করেছিল। ওই শিক্ষার্থী কীভাবে অস্ত্রটি পেয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির পুরস্কার বিতরণ

স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, সন্দেহভাজন হামলাকারীর গায়ে বেগুনি রঙের স্কুল ইউনিফর্ম ছিল এবং তার কাঁধে একটি কালো ব্যাগ ছিল। ঘটনাস্থলে বেশ কিছু গুলির খোসাও পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ননথাবুরি এলাকার দেবসিরিন ননথাবুরি স্কুলের আশপাশের সড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। এএফপির এক সাংবাদিক ঘটনাস্থল থেকে জানান, ঘটনার পর স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, অভিভাবকেরা সন্তানদের নিতে স্কুলে ছুটে যান।

থাইল্যান্ডে এ অঞ্চলের অন্যতম বেশি হারে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানা রয়েছে। ধারণা করা হয়, দেশটিতে প্রায় এক কোটি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে, অর্থাৎ প্রতি সাতজন মানুষের জন্য প্রায় একটি অস্ত্র রয়েছে।

এর আগে কয়েকবার অস্ত্র আইন কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও দেশটিতে ধারাবাহিকভাবে গুলির ঘটনা বন্ধ হয়নি।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্কুলে এক কিশোর গুলি চালালে পুলিশ তাকে গুলি করে আটক করে। ওই ঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিহত এবং দুই শিক্ষার্থী আহত হয়।

আরও পড়ুনঃ  সমুদ্রতীরে দীঘি, শাড়িতে ছড়ালেন রূপের দ্যুতি

ওই হামলায় কিশোরটি এক পুলিশ কর্মকর্তার অস্ত্র ব্যবহার করেছিল।

সে সময় স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, হামলাকারী কিশোরকে এর আগে মানসিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এবং ডিসেম্বর মাসে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

ঘটনার আগে ওই কিশোর একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে তার কাছ থেকে একটি ৯ মিমি পিস্তল ছিনিয়ে নেয় এবং সেটি দিয়েই হামলা চালায় বলে জানানো হয়।

২০২২ সালে থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে এক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বন্দুক ও ছুরি নিয়ে একটি শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে হামলা চালান। ওই ঘটনায় ২৪ শিশু ও ১২ প্রাপ্তবয়স্ক নিহত হন, যা দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাগুলোর একটি।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।