স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মহানগরীতে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অভিযানে চোরাই দুটি ল্যাপটপ ও ১২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, তাঁরা চোরাই ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন সংগ্রহ এবং কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রাব্বিল আহম্মেদ রিয়াদ (২৪) ও মো. মারুফ হোসেন (২৩)। রিয়াদ নগরীর চন্দ্রিমা থানার ছোট বনগ্রাম এলাকার মো. তারা মিয়া সুজনের ছেলে। বর্তমানে তিনি মুশরইল বাচ্চুর মোড় এলাকায় বসবাস করেন। মারুফ একই এলাকার মো. মোকসেদ আলীর ছেলে।
আরএমপি জানায়, গত ২৭ অক্টোবর দুপুর সোয়া ১টার দিকে বোয়ালিয়া মডেল থানার একটি চুরির মামলার তদন্তের সূত্র ধরে চন্দ্রিমা থানার মুশরইল বাচ্চুর মোড় এলাকায় অভিযান চালায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় রিয়াদের বসতঘর থেকে ওই মামলার চুরি যাওয়া একটি এইচপি এলিটবুক কোর আই-৫ ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে জব্দ করা হয় আরও ১১টি মোবাইল ফোন।
পরে রিয়াদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুশরইল বাচ্চুর মোড় এলাকার শহিদ টেলিকম অ্যান্ড মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারে অভিযান চালিয়ে অন্য একটি মামলার চুরি যাওয়া আরও একটি এইচপি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াদ জানান, তিনি নিয়মিত চোরাই ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন বিক্রির জন্য বন্ধু মারুফের কাছে সরবরাহ করতেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজপাড়া থানার ঝাউতলা মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মারুফের হেফাজত থেকে আরও একটি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে তাঁদের কাছ থেকে দুটি ল্যাপটপ ও ১২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তার দুজনের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজন চোরাই ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন সংগ্রহ, নিজেদের হেফাজতে রাখা এবং কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনসহ অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

