নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে সরকার : এমপি মিলন

জুলাই ৩, ২০২৬ ৭:৫২ 👁️ ১১১ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন বলেছেন, প্রান্তিক ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কাজ করছে। সরকারের বরাদ্দ যেন প্রকৃত সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছায়, সে বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

আরও পড়ুনঃ  বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা ইসরাত পায়েল

শুক্রবার সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বাইসাইকেল, শিক্ষাবৃত্তি, সেলাই মেশিন ও বসতঘর বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পবা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ১৮ জন শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল, ১২০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি, ১২ জনকে সেলাই মেশিন এবং চারটি পরিবারকে বসতঘর দেওয়া হয়। এ খাতে মোট ২৭ লাখ ১১ হাজার টাকার উন্নয়ন সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাড. মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রান্তিক, আদিবাসী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের দেওয়া ভোটের আমানতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম

আরও পড়ুনঃ  ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’ এ রুয়েটের টিম

তিনি বলেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা দেশের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছেন। তাদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে যাতায়াতের সুবিধার জন্য বাইসাইকেল ও শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রান্তিক পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন এবং গৃহহীন পরিবারকে বসতঘর প্রদান করা হচ্ছে।

সংসদ সদস্য মিলন আরও বলেন, পবা-মোহনপুরসহ দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। আগামী দিনেও প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে আরও বেশি বরাদ্দ এনে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে নতুন বাইসাইকেল পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শিক্ষার্থী রত্না বিশ্বাস। পবা উপজেলার খ্রিস্টানপাড়া এলাকার বাসিন্দা রত্নার বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি। প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার পথ হেঁটে স্কুলে যেতে হতো তাকে।

আরও পড়ুনঃ  ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা বিষয়ে রাসিকের মতবিনিময় সভা

রত্না বিশ্বাস বলে, “বাবার পক্ষে আমাকে সাইকেল কিনে দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না। হেঁটে স্কুলে যেতে অনেক সময় লাগত। এখন সাইকেল পেয়ে আমি খুব খুশি। মাত্র ১০ মিনিটেই স্কুলে যেতে পারব।” সে জানায়, এখন থেকে নিয়মিত ও সময়মতো স্কুলে গিয়ে আরও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে পারবে।প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন। তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে। এসব সহায়তা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি সহায়তাপ্রাপ্তদের উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহার করার আহ্বান জানান।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি রাজ কুমার শাও, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।