নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

বাঘায় মাদক সেবনের অপরাধে যুবকের ছয় মাসের জেল

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ ৯:১৯ 👁️ ৬৩ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার, বাঘা : রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের অমরপুর গ্রামে মাদক সেবনের অপরাধে লিখন (২৫) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী অফিসার তকী ফয়সাল তালুকদার তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছে।

আরও পড়ুনঃ  সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

স্থানীয়দের অভিযোগ, বুধবার সন্ধ্যার পর লালপাগলের মোড় এলাকায় পুলিশ এসে অভিযান চালালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুজন পালিয়ে যায়। এ সময় লালপাগলের ছেলে লিখনকে আটক করে পুলিশ। পরে বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তকী ফয়সাল তালুকদারের পরিচালনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। আদালত মাদক সেবনের দায়ে লিখনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

বাঘা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুপ্রভাত মন্ডল বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়। সেখানে লিখনকে মাদক সেবন করতে দেখা যায়। পরে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহী জেলা পরিষদের উদ্যোগে সাতজনকে হুইলচেয়ার প্রদান

বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তকী ফয়সাল তালুকদার বলেন, পুলিশ লিখনকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, অমরপুর গ্রামের লালপাগলের মোড় এলাকায় দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রকাশ্যে মাদক সেবন ও বিক্রির কার্যক্রম চলে আসছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। মাদকসেবীদের কেউ কেউ ধারালো অস্ত্র বহন করেন বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, মাদক সেবনের পর কিছু ব্যক্তি গ্রামের ভেতর দিয়ে চলাচলের সময় নারীদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। পাশাপাশি মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ ওঠা কয়েকটি বাড়িতে অপরিচিত ব্যক্তিদের যাতায়াত নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জাল ভোটের চেষ্টায় আটক ৩

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিভিন্ন সময় মাদক বিক্রি বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হলেও কিছুদিন পর আবার একই কার্যক্রম শুরু হয়। তারা এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবন বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ রেজাউল করিম বলেন, মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত কাউকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ থাকায় তরুণ ও শিশুদের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা মাদক নির্মূলে প্রশাসনের আরও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।