নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

বেনাপোলের বাহাদুরপুরে ভারতীয় পানির চাপে শতশত ঘর-বাড়িসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিবন্দী

আগস্ট ২৮, ২০২৫ ৮:৩০ 👁️ ২৩ views
Link Copied!

মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি: ভারতের উজানের পানি ও পাহাড়ী ঢলের পানি এসে বেনাপোল সীমান্তের বাহাদুরপুর ইউনিয়ন এর ঘিবা, সরবাংহুদা গ্রামের বাড়ি ঘর পানির নিচে নিমজ্জিত। সরকারী প্রাইমারি স্কুলসহ প্রায় দুই শতাধিক কাঁচা পাকা ঘর বাড়িতে পানি উঠে পানি বন্দী হয়ে পড়েছে ওই এলাকার মানুষ। এছাড়া ওই ইউনিয়নের ধান্যখোলা, বোয়ালিয়া গ্রামেও পানি ধেয়ে আসছে। যদি দুই একদিন টানা বর্ষন হয় তবে কয়েকটি গ্রামের ঘরবাড়ি পানির নীচে তলিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছে এখানকার বাসিন্দারা।

আরও পড়ুনঃ  বাগমারায় মাছের পোনা অবমুক্তকরণের উদ্বোধন করলেন এমপি ডাঃ আব্দুল বারী 

ওই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে পানির প্রভাব দেখা গেছে। সর্বাংহুদা গ্রামে বা”চারা ডিঙ্গে নৌকায় যাতাযাত করছেন এবং গ্রামের প্রাইমারি স্কুলসহ প্রায় ১৫০ টি কাঁচা পাকা ঘর ও রঘুনাথপুর, ঘিবা, ধান্যখোলা, বোয়ালিয়াসহ আরও কয়েকটি গ্রামের শত শত ঘর বাড়ি পানিবন্দী হয়ে আছে। তারা দেড় মাস ধরে অসহায় অবস্থায়জীবন যাপন করছেন।

আরও পড়ুনঃ  রেলওয়ের প্রতিপক্ষ হতে পারে না বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা : জিএম

সর্বাংহুদা গ্রামের ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি জিয়াউর রহমান জানান, ভারী বর্ষা ও ভারতীয় পানি আসার কারণে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে, তবে সর্বাংহুদা গ্রামসহ কয়েকটি গ্রাম বন্যায় কবলিত পানিবন্দী এলাকার অসহায় মানুষরা এখনো পর্যন্ত কোন সরকারি অনুদান পাননি।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডা. কাজী নাজিব হাসান জানান, সর্বাংহুদা, রঘুনাথপুর, ঘিবা, এলাকার মানুষ প্রতিবছরই ভারতীয় উজানের পানির ঢলে দুর্ভোগ পোয়াচ্ছেন। উপজেলার পক্ষ থেকে আপাতত ১৬ টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি ইউনিয়নে এ চাল বিতরণ করা হয়েছে। বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের আশ্রয় কেন্দ্রে পানিবন্দি পরিবারের মাঝে শুকনো ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, চাল, ডাল, চিনি, তেল, লবণ, মশলাসহ আরও অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ না থাকায় দেওয়া সম্ভব হয়নি। পর্যায়ক্রমে সব কয়টি ইউনিয়নে এই ত্রাণ সামগ্রী দেয়া হবে। যাতে করে বন্যায় কবলিত অসহায় পরিবার এ ত্রাণ থেকে বঞ্চিত না হয়।

আরও পড়ুনঃ  ভাঙ্গা বাজারে দোকানের পেছনের টিন কেটে দুঃসাহসিক চুরি

এদিকে স্কুলে পানি উঠায় শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারছে না। এছাড়া দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষাও তারা দিতে পারছে না। বিকল্প ব্যবস্থা না করলে ছেলে মেয়েরা শিক্ষা থেকে পিছিয়ে যাবে বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেন।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।