নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

সালিসি বৈঠকে বিতর্কের জের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ যুবক ঢাকায়

নভেম্বর ২৪, ২০২৩ ১০:০৯ 👁️ ৪৮৯ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহাগরীর বালিয়াপুকুর এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে হওয়া সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়নি। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মনিরুজ্জামান ও বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা তারিকুল ইসলাম তরিকের গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে এ নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।
সালিসি বৈঠকে বিতর্কের জেরে ঘটে যাওয়া ওই সংঘর্ষে একরামুল হক গুড্ডু (৩৫) নামের এক আওয়ামী লীগ কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পা থেকে গুলি বের করার পর রাতেই তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। একরামুল হক গুড্ডু কাউন্সিলরের কার্যালয়েই থাকেন। খুব কাছ থেকে তার পায়ে গুলি করা হয়। গুলি লাগার পর তার শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুড্ডু মহানগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট বনগ্রাম এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ২৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মনিরুজ্জামান বালিয়াপুকুর এলাকায় তার কার্যালয়ে একটি সালিশ করেন। ওই সালিশে কাউন্সিলরের কথাকে কেন্দ্র করে মহানগর ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসম্পাদক তরিক, সনেট, আদর ও ফয়সাল দলবল নিয়ে এসে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করেন। এক পর্যায়ে কাউন্সিলরের পক্ষের লোকেরা সেখানে জড়ো হয়ে তাদেরকে ধাওয়া দেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গোলাগুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে কাউন্সিলরপন্থি একরামুল হক গুড্ডুর ডান পায়ে গুলি লাগে। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক (ইমও) ডা. বিল্লাল হোসেন বলেন, রাতে একরামুল হক গুড্ডুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। তার ডান পায়ে গুলি ছিল। তাই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার অবস্থা আশঙ্কজনক ছিল। জরুরি অস্ত্রোপচার শেষে তাকে রাতেই রামেক হাসপাতাল থেকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
কাউন্সিলর মো. মনিরুজ্জামান বলেন, সালিশ চলাকালে একটি পক্ষ নেয় তরিক, সনেট, আদর ও ফয়সাল। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা দলবল নিয়ে এসে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে। এ সময় তাকে হত্যার হুমকি দিলে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। এরপর তারা আগ্নেয়াঅস্ত্র বের করে গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গুড্ডু গুলিবিদ্ধ হন। তরিক, সনেট, আদর ও ফয়সাল এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত বলে দাবি করেন তিনি।
নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, মারামারি ও সংঘর্ষের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কাউকে পাওয়া যায়নি। আর এই ঘটনায় থানায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই মামলা দেয়নি। কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুনঃ  গোমস্তাপুরে এক কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।