স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট, দামকুড়া থানা ও মহানগর ডিবি পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী এবং ২ মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেইসাথে মাদক বিক্রির নগদ অর্থ, মাদক সেবনের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ও বিদেশী পিস্তল সদৃশ্য ফায়ার লাইটার জব্দ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ মাঝিগ্রাম উত্তরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাঝিগ্রাম মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আসোব আলীর ছেলে মো: সিদ্দীক (৪৫) এবং মাঝিগ্রাম উত্তরপাড়া গ্রামের মো: নছিম উদ্দীনের ছেলে মো: সোহাগ আহম্মেদ (২৮)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মোট ২০পিস ইয়াবা ও ৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে মাদক বিক্রির নগদ ১ হাজার ৬৭০ টাকা জব্দ করা হয়।
এছাড়া গত ২৬ অক্টোবর বিকাল আনুমানিক সোয়া ৪টার দিকে দামকুড়া থানা এলাকার জোতরাবন গ্রামে জনসাধারণ মাদক সেবনরত অবস্থায় একই গ্রামের মৃত আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে মো: মানিক (৩২) ও মৃত আব্দুল মজিদ শাহের ছেলে মো: নাহিদুল ইসলামকে (৪২) আটক করে। খবর পেয়ে দামকুড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজশাহীতে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হলে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে দামকুড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়।
২৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মহানগর ডিবি পুলিশ চন্দ্রিমা থানার মেহেরচন্ডি উত্তরপাড়া গ্রামের মো: মামুন আলীর ছেলে মো: শামীম আহমেদ ওরফে শামীম (৩৭)-এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে শামীম’কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেইসাথে মাদক বিক্রির নগদ ৩৩ হাজার ৭৫০ টাকা ও বিদেশী পিস্তল সদৃশ্য ১টি ফায়ার লাইটার জব্দ করা হয়। উল্লেখ্য শামীম একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে আরএমপির বিভিন্ন থানায় ৩টি মাদক, ১টি জুয়া ও ১টি পেনালকোড আইনে মামলা রয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

