নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

নভেম্বর ৭, ২০২৬ ৭:৩৯ 👁️ ৮৩ views
Link Copied!

তথ্যবিবরণী : ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দিবসটি উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী বীর সেনানী ও দেশপ্রেমিক জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় দিন এবং দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। তাঁবেদারি অপশাসন, দুর্নীতি, নৈরাজ্য ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের কঠিন সময়ে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পায়। এ সময় স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন। জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় সংকট উত্তরণের গুরুদায়িত্ব তাঁর ওপর অর্পিত হয়।

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

 

তিনি বলেন, সিপাহি ও জনতার এই সংহতি ছিল স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত এক অভূতপূর্ব জাগরণ। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী সব সময় সংহতি ও ঐক্যের পরিচয় দিয়েছে। একই চেতনার পুনর্জাগরণ ঘটে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে। ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যে দীর্ঘ ষোলো বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। এর মধ্য দিয়ে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার বিপর্যয় থেকে আবারও রক্ষা পায় বাংলাদেশ।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২এর উদ্বোধন

 

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতির গুরুত্ব অপরিসীম। এর ধারাবাহিকতায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। অর্থনৈতিক মুক্তি ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে দেশকে মুক্ত করে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন। একই সঙ্গে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

 

বাণীতে তিনি বলেন, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বারবার ষড়যন্ত্র হয়েছে, গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চেপে বসেছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে দেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। জাতীয় সমস্যার সমাধানে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আলোচনা এবং জাতীয় সংসদকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

 

রাষ্ট্রপতি বলেন, ৭ নভেম্বরের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে। জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা ও গণতন্ত্রচর্চা পাবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
বাণীর শেষাংশে রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দুর্নীতি, বৈষম্য ও সব ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি দিবসের সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।