নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ

বিচারকের আদেশ জালিয়াতি, কারাগারে বেঞ্চ সহকারী

জুলাই ৭, ২০২৪ ৪:২৮ 👁️ ৩৮ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : বিচারকের আদেশ জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৯ এর বেঞ্চ সহকারী খন্দকার মোজাম্মেল হক জনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আরও পড়ুনঃ  ডেঙ্গু ঠেকাতে গোমস্তাপুরে মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান; রোপণ সাড়ে ৭০০ গাছ

রোববার (৭ জুলাই) তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক সুমন চন্দ্র সরকার। আসামি পক্ষের আইনজীবী কামাল হোসেন পাটোয়ারী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহাম্মদের আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানো আদেশ দেন।

আদালতে কোতোয়ালি থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক তৌহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৩ জুলাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে খন্দকার মোজাম্মেল হক জনি নামে ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারীকে আটকের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে একই আদালতের স্টেনোগ্রাফার মো. নূরে আলম বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। পরদিন তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

আরও পড়ুনঃ  যশোরের শার্শায় ৩৫ বিঘার মাছের ঘের নিয়ে বিরোধ : প্রাণভয়ে বাড়িছাড়া ব্যবসায়ী

মামলার এজাহারে তিনি বলেন, ‘আসামি জনি শেরেবাংলা নগর থানার এক মামলায় ২০২২ সালে ৯ মার্চ ও ২১ মার্চ দুইটি ভিন্ন আদেশ নথিতে লিপিবদ্ধ করেন। যাতে প্রদত্ত স্বাক্ষর অত্র আদালতে দায়িত্ব প্রাপ্ত বিজ্ঞ বিচারকের নয়। বর্ণিত মামলায় বিগত ইং ২১/০৩/২০২২ তারিখের প্রচারিত আদেশে আসামী অহিদুজ্জামানকে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৯ ধারা অনুযায়ী মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে মুক্তি প্রদানের আদেশ প্রদান করা হয়। উক্ত আদেশের স্বাক্ষর অত্র আদালতে দায়িত্ব প্রাপ্ত বিজ্ঞ বিচারকের না হওয়া এবং উক্ত আদেশ বেঞ্চ সহকারী খন্দকার মোজাম্মেল হক কর্তৃক লিখিত হওয়ায় এটি সুস্পষ্ট হয় যে, তিনি বিজ্ঞ বিচারকের স্বাক্ষর জাল করে বেঞ্চ সহকারী হিসেবে তার উপর অর্পিত দায়িত্বের বরখেলাপ করে বিজ্ঞ বিচারকের অগোচরে উক্তরূপ আদেশ প্রচার করেন।’

মামলার অভিযোগ থেকে আরও জানা যায়, ‘চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ২০২৪ সালের ৩ মার্চ যাত্রাবাড়ী থানার এক মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য বিজ্ঞ বিচারকের আদালতে প্রেরণ করা হলে আসামি বিচারকের অগোচরে ২০২৪ সালের ৪ এপ্রিল মামলার আসামি নাসির উদ্দিন ও আশিকুর রহমানকে প্রবেশন প্রদানের আদেশ কজলিস্ট ও কোর্ট ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করেন। যদিও এইরূপ কোনো আদেশ বিচারক প্রচার করেননি। এমনকি নথিটি শুনানির জন্য বিচারকের কাছে উপস্থাপনও করা হয়নি। আসামি অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়ে এমন ন্যক্কারজনক অপরাধ সংঘটন করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়। এসব বিষয়ে গত ৩০ জুন তাকে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলে তিনি গত ১ জুলাই নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে কারণ দর্শানোর জবাব দেন। তার লিখিত ব্যাখ্যা থেকে এটি সুস্পষ্ট যে, তিনি অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়ে এসব হীন অপরাধ সংঘটন করেছেন যা চাকরিবিধি ও শৃঙ্খলা বিধিমালার পরিপন্থি।’

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।