নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

‘কখনোই অভিনেতা বিয়ে করবে না’, মেয়ে সোহাকে শর্মিলা

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫ ৬:২১ 👁️ ১৭ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : দশ বছরের দাম্পত্য কাটিয়ে ফেলেছেন বলিউডের সোহা আলি খান ও কুণাল খেমু। এই তারকা দম্পতির আলাদা অনুরাগীও রয়েছে। সোহার পরিবার অর্থাৎ মা শর্মিলা ঠাকুর, ভাই সাইফ আলি খানের সঙ্গে কুণালের সম্পর্কও ভাল। কিন্তু একটা সময়ে শর্মিলা নাকি সোহা-কুণালের বিয়ের পক্ষে ছিলেন না।

আরও পড়ুনঃ  রিফাত চৌধুরীর পাশে দাঁড়াল অভিনয় শিল্পী সংঘ

পতৌদি পরিবারে প্রায় সকলেই অভিনয় জগতের সঙ্গে জড়িত। সাইফের প্রথম স্ত্রী অমৃতা সিংহও ছিলেন অভিনেত্রী। সেই বিয়ে একটা সময়ে ভেঙে যায়। এমন অসফল দাম্পত্য দেখে শর্মিলা চাইতেন না, কন্যা সোহাও কোনো অভিনেতাকেই বিয়ে করুক। এই বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন সোহা। শর্মিলা নাকি তাকে বলেছিলেন, ‘যাই করো, কোনো অভিনেতাকে বিয়ে করতে যেও না।’

আরও পড়ুনঃ  কোনো ‘প্ল্যান’ ছাড়াই যা করেন জয়া আহসান

সোহা মায়ের এই পরামর্শ সম্পর্কে বলেছেন, ‘আসলে মা মনে করত, অভিনেতাকে বিয়ে করলে আমার জীবন আরও জটিল হয়ে উঠবে। কারণ অভিনেতাদের চরম মাত্রায় আত্মাভিমান থাকে। মেজাজের কোনো ঠিক থাকে না। অভিনেতারা খুবই সংবেদনশীল হয়ে থাকেন। তাই সঙ্গী হিসেবে তাদের পেতে গেলে নির্দিষ্ট ভাবনা-চিন্তা রাখতে হয়। সেই ক্ষমতা যদিও আমার রয়েছে।’

প্রয়াত ক্রিকেট তারকা মনসুর আলি খানেরও কি মেজাজ ওঠানামা করত? এই প্রশ্নের উত্তরে সোহা বলেন, ‘সন্তানের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ তো স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের রসায়ন থেকে আলাদা হয় বটেই। অনেক সময়ই আমরা সঙ্গীর থেকে সন্তানদের সঙ্গে খুব ভাল ব্যবহার করি। কন্যা হিসেবে আমি সেরা একজন বাবাকে পেয়েছি। সারা জীবনে উঁচু স্বরে কথা বলতে শুনিনি বাবাকে। অথচ বাবা খুবই কড়া ছিলেন, কিন্তু মায়ের মতো রেগে যেতেন না।’

আরও পড়ুনঃ  পুজোর কয়েকটা দিনের প্রেম দারুণ লাগত : কৌশানি

সোহা মনে করেন, তিনি তার বাবার মতো। অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি অনেকটাই আমার বাবার মতো হয়েছি। তাই আমাকে রাগিয়ে দেওয়া বা উত্তেজিত করা খুব কঠিন। তবে কুণাল জানে আমি ঠিক কোন কথায় রেগে যেতে পারি। তা ছাড়া আর কেউ রাগাতে পারে না।’

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।