অনলাইন ডেস্ক : প্রবল ও টানা বর্ষণের জেরে বন্যা শুরু হয়েছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে। ইতোমধ্যে রাজধানীর অন্তর্ভুক্ত সব জেলায় বন্যা দুর্যোগ ঘোষণা করেছে গভর্নরের দপ্তর।
ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ত সিত্তিপান্ত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে এ পর্যন্ত ব্যাংককে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। টানা বৃষ্টিপাতের কারণেই বন্যা দেখা দিয়েছে রাজধানীতে।
বন্যার কারণে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দোকান খুলতে পারেননি সেন্ট্রাল ব্যাংককের ব্যবসায়ী সোমকিদ ফিউকেনগাম। এএফপিকে তিনি বলেন, “পানি বাড়ছেই। আমার বাসার নিচে রাস্তায় এখন কোমর-সমান পানি। গত দু’দিন ধরে দোকান খোলা তো দূর, বাড়ির বাইরেই যেতে পারছি না। ২০১১ সালে যে বন্যা হয়েছিল, মনে হচ্ছে এবারের পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ।”
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক বার্তায় ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ত সিত্তিপান্ত জানান, ব্যাংককের পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ এবং আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শিগগিরই বৃষ্টিপাত থামছে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে গভর্নর সিত্তিপান্ত বলেছেন, “বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে এবং বন্যার পানি সরাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। জমে থাকা পাম্প করে সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, কিন্তু এতে তেমন লাভ হচ্ছে না; কারণ খালগুলো পানিতে পূর্ণ হয়ে আছে।”
“এখন উল্টো ঝুঁকিতে পড়েছে খালগুলোর তীরে বসবাসকারীরা। প্রতিটি খাল পানিতে পূর্ণ হয়ে আছে।”
জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর নির্ভরশীল শয্যাশায়ী রোগীদেরকে সাময়িকভাবে হাসপাতালে থাকার কথা বিবেচনা করতে অনুরোধ জানিয়েছেন গভর্নর।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল থাইল্যান্ডে। সেই বন্যায় প্রাণহানি হয়েছিল ৫০০ জনের এবং লাখ লাখ বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
সূত্র : এএফপি

