নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

দুপুরে বিয়ে, রাতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু

অক্টোবর ৬, ২০২৩ ৭:৩২ 👁️ ২১০ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার: দুপুরে বিয়ে হয়েছে। বিকালে নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন বর। রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার খারিজাগাতি মোল্লাপাড়া গ্রামে এমন ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মূহুর্তেই বিয়েবাড়ির আনন্দ বিষাদে রূপ নিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর সাথে হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক

মারা যাওয়া বরের নাম মো. শাকিল (২৪)। তার বাবার নাম আবদুস সালাম। শাকিল একজন চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে একই উপজেলার বিদিরপুর গ্রামের বুলবুল হোসেনের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে আসমা খাতুনের (১৪) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। শ্বশুরবাড়িতে পা রাখার পরই স্বামীকে হারিয়ে নির্বাক এই কিশোরী বধূ।

আরও পড়ুনঃ  পবার বড়গাছীতে পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় বীজ বপন ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

শুক্রবার সকালে বরের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, মরদেহ দাফন করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে পার্শ্ববর্তী গোরস্থানে। একটি ঘরে কিশোরী বধূ আসমা খাতুনকে নিয়ে বসে আছেন তার বাড়ি থেকে যাওয়া স্বজনেরা। শাকিলের মা জান্নাতুল মাওয়া শুধু কাঁদছেন। তাকে সান্তনা দিচ্ছেন কেউ কেউ।

স্বজনেরা জানান, দুপুরে কনের বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এরপর বিকালে বরপক্ষ কনে নিয়ে আসে। সন্ধ্যার পর বর নিজেই বাড়িতে আলোকসজ্জার বাতিগুলো জ্বালিয়ে দেন। পরে রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বারান্দার গ্রীলে হাত দেন শাকিল। এতেই তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তার লিকেজ হয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল বাড়ির বারান্দার গ্রিল। শাকিলকে বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়তে দেখে তার চাচা তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এরপর তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর রাতেই তার মরদেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। সকালে মরদেহ দাফন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকার যানজট, ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ এলজিআরডি মন্ত্রীর

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।