স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি, বেলপুকুর থানা ও বোয়ালিয়া থানার শিল্পনগর পুলিশ ফাঁড়ির পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে হেরোইন, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে ডিবি পুলিশ বোয়ালিয়া থানার হোসনীগঞ্জ দক্ষিণ মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মো: সেলিমের ছেলে মো: আকাশ (৩০)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আকাশের বিরুদ্ধে আরএমপি’র বিভিন্ন থানায় ৪ টি পেনাল কোড, ২টি মাদক মামলা ও ১টি অস্ত্র মামলা রয়েছে।
অপরদিকে, একই তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে ডিবি পুলিশ রাজপাড়া থানার আলিগঞ্জ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের মৃত আ: মজিদের ছেলে মো: মাসুদ রানা (৪৭); রাজপাড়া থানার দাশপুকুর গ্রামের মো: হালানের ছেলে মো: সুমন (৩৪) এবং একই গ্রামের মো: জামালের ছেলে মো: আব্দুল্লাহ (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা মোট ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত মাসুদের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় ২টি মাদক মামলা রয়েছে। এছাড়াও সুমনের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় ১টি মাদক মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে বেলপুকুর থানা পুলিশ একই তারিখ বিকাল আনুমানিক সোয়া ৫টার দিকে ধাদাস গ্রামের মৃত মহসীন আলীর ছেলে মো: সেন্টু (৪৫) এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে সেন্টুকে গ্রেপ্তার করে। এসময় সেন্টুর হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি সেন্টুর বিরুদ্ধে আরএমপি’র বেলপুকুর থানায় ১টি, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া থানায় পৃথক ২টি মাদক মামলা রয়েছে।
তাছাড়াও বোয়ালিয়া থানার শিল্পনগর পুলিশ ফাঁড়ি একই তারিখ দুপুর আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে শিল্পীপাড়া বালুর মাঠ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শাহমখদুম থানার দক্ষিণ নওদাপাড়া মেহের মিল গ্রামের মো: শিলু ইসলামের ছেলে মো: শাওন আলী (১৯) এবং দক্ষিণ নওদাপাড়া তালপুকুরপাড় গ্রামের মো: সেলিম আলীর ছেলে মো: সম্রাট ইসলাম (২২)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মোট ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা করা হয়েছে।

