স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বোয়ালিয়া, কর্ণহার, দামকুড়া, কাটাখালী ও চন্দ্রিমা থানা পুলিশের পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় নারীসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেইসাথে মাদক বিক্রির নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার পল্লীপাড়া গ্রামের মৃত মোজাম হোসেনের ছেলে বর্তমানে বোয়ালিয়া থানার খরবোনা নদীর ধার গ্রামে বসবাসরত মো: জামাল হোসেন (৪৪) এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে জামাল’কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৯০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, কর্ণহার থানা পুলিশ একই তারিখ রাত আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে তেতুলিয়া গ্রামের মো: তারিফ হোসেনের ছেলে মো: শোভন আহমদ (১৯) এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে শোভনকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা মোট ৮০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও দামকুড়া থানা পুলিশ একই তারিখ সকাল আনুমানিক সোয়া ৯টার দিকে জাঙ্গালপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একই গ্রামের আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু মো: নুরুল হোসেন (ছদ্মনাম) (১৬)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
তাছাড়াও কাটাখালী থানা পুলিশ একই তারিখ বিকাল আনুমানিক ৫টার দিকে বাখরাবাজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শাহমখদুম থানার পবা নতুনপাড়া গ্রামের মো: আলতাফ আলীর ছেলে মো: পলাশ (২৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ২৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এদিকে কাটাখালী থানা পুলিশ একই তারিখ বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে রুপসীডাঙ্গা সাহাজীপাড়া গ্রামের মৃত নজর উদ্দিন শাহ এর ছেলে মো: ইসমাইল হোসেন (৫২) এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ইসমাইল এবং তার স্ত্রী মৃত আব্দুল সোবাহানের মেয়ে মোসা: সহিদা বেগম (৪৬)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে মাদক বিক্রির নগদ ১১ হাজার ১৪৫ টাকা জব্দ করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি ইসমাইলের বিরু্দ্ধে আরএমপি’র কাটাখালী থানায় ১টি মাদক মামলা রয়েছে। এছাড়াও সাহিদার বিরুদ্ধে আরএমপি’র কাটাখালী থানায় ২টি মাদক মামলা রয়েছে।
তাছাড়াও চন্দ্রিমা থানা পুলিশ একই তারিখ রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়াম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বোয়ালিয়া থানার সপুরা গ্রামের মৃত আজিজুল ইসলামের ছেলে মো: আওরঙ্গজেব ওরফে রিমন (২৭)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মোট ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত রিমন একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে আরএমপি’র বিভিন্ন থানায় ৪টি মাদক মামলা রয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা করা হয়েছে।

