নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

মডেলকে জোর করে বিয়ে করেন রাজার ছেলে

জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ১১:১৫ 👁️ ২৮ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : ২০০৮ সালে ১৬ বছর বয়সী ইন্দোনেশীয়-আমেরিকান মডেল মানোহারা ওডেলিয়াকে জোরপূর্বক বিয়ে করেছিলেন মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের সুলতানের ছেলে টেংকু মুহাম্মদ ফাখরি পেত্রা। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এক খোলা চিঠিতে এই মডেল দাবি করেন, কিশোরী বয়সে তাকে বাধ্য করে বিয়ে করা হয়েছিল, আর সেই সম্পর্কটিতে কোনো সম্মতি ছিল না তার।

আরও পড়ুনঃ  হাম প্রতিরোধে বাদ পড়া শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সাম্প্রতিক সময়ে ‘পেত্রার সাবেক স্ত্রী’ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে মানোহারার নাম। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া সেই খোলা চিঠিতে এমন পরিচয় না জানাতে গণমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রতি আহ্বান জানান এই মডেল। সঙ্গে টেনে আনেন ১৫ বছরের পুরোনো তার সেই বিভীষিকাময় মুহূর্তগুলো।

আরও পড়ুনঃ  রাজশাহীতে সার সংকট ঠেকাতে ‘পবা সার ডটকম’ সেবা চালু

বর্তমানে এই মডেলের বয়স ৩৩ বছর হলেও সেই রাজার ছেলের কাছে কিশোরী বয়সে বেশ নির্যাতিত হয়েছেন- এমনটাই দাবি তার। পোস্টে উল্লেখ করেন, আমার কিশোর বয়সে যা ঘটেছিল তা কোনো সুখের সম্পর্ক ছিল না, কোনো সম্মতির সম্পর্ক ছিল না; এমনকি কোনো বৈধ বিয়েও ছিল না। আমি কখনোই এমন কোনো সম্পর্ক চাইনি, এতে রাজি হইনি বা স্বেচ্ছায় জড়াইনি।

মানোহারা উল্লেখ করেন, সেই সময়ে আমি অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলাম এবং আমাকে বাধ্য করা হয়েছিল; আমার কোনো স্বাধীনতা ছিল না। এর অর্থ, আমার আসলে কোনো প্রকৃত পছন্দ করার সুযোগ বা সম্মতি দেওয়ার সক্ষমতা ছিল না।

আরও পড়ুনঃ  নিয়ামতপুরে সচেতনতামূলক গম্ভীরা অনুষ্ঠিত

মানোহারা সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে লেখেন, আমি ইন্দোনেশিয়ার গণমাধ্যম, সম্পাদক, লেখক এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে অনুরোধ করছি, আমার পরিচয় দেওয়ার সময় এই তকমাটি (পেত্রার সাবেক স্ত্রী) ব্যবহার করা বন্ধ করুন। ভুল তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন লেখা সাংবাদিকতার নীতি পরিপন্থী।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের সুলতানের ছেলে টেংকু মুহাম্মদ ফাখরি পেত্রার সঙ্গে মানোহারার বিয়েটি ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। বিয়ের মাত্র এক বছর পর ২০০৯ সালে রাজকীয় পরিবারের সঙ্গে সিঙ্গাপুর সফরের সময় তিনি নাটকীয়ভাবে পালিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় চলে যান। সেই সময় তার পরিবারের, স্থানীয় পুলিশ এবং মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাকে উদ্ধারে সহায়তা করেছিলেন।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।