নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স দুই বছর ধরে নিখোঁজ

জুন ১১, ২০২৬ ৮:২৭ 👁️ ১১৫ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার,পুঠিয়া : পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি সরকারি অ্যাম্বুলেন্স গত দুই বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছে। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই এমনটি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আরও পড়ুনঃ  নেতিবাচক চিন্তার চক্র থেকে বের হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিগত জোট সরকারের আমলে দেওয়া অ্যাম্বুলেন্সটি পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গ্যারেজে থাকার কথা থাকলেও সেখানে এর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীও এ বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু জানাতে পারেননি।

জানা গেছে, ২০০০-এর দশকের শুরুতে জরুরি রোগী পরিবহন ও উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে দেশব্যাপী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ প্রকল্পের উদ্যোগ নেয় সরকার। সেই প্রকল্পের আওতায় ২০০৪ সালে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে এই অ্যাম্বুলেন্সটি প্রদান করা হয়েছিল। প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীদের দ্রুত ও জীবনরক্ষাকারী জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগে এই পরিবহন সুবিধাটি দেওয়া হয়। রাজশাহী জেলার পুঠিয়াসহ দেশের অন্যান্য প্রান্তিক উপজেলাগুলোতে জরুরি চিকিৎসার পরিবহন সংকট দূর করা এবং রোগীদের জেলা সদরের বড় হাসপাতালে রেফার করার সময় যেন জীবন বিপন্ন না হয়, তা প্রতিরোধের জন্য সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ  রূপপুর পৌঁছেছে রূপপুর প্রকল্পের ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান

পরবর্তীতে ২০২০ সালে ততকালীন সরকার হাসপাতালটিতে আরও একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করে। এর পর থেকে নতুন অ্যাম্বুলেন্সটি জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ব্যবহার করা হতো। আর পুরাতন অ্যাম্বুলেন্সটি বিশেষ বিশেষ সময়ে অথবা নতুনটির সার্ভিসিংয়ের সময় বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কর্মচারী জানান, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গ্যারেজে পুরাতন অ্যাম্বুলেন্সটি আর দেখতে পাওয়া যায়নি। তবে অ্যাম্বুলেন্সটি কোথায় গেল, সে প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে গত দুই বছর ধরে এই গাড়িটির কোনো সন্ধান নেই। পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নাই কোন সাইনবোর্ড, ডাক্তারের রুমের নেই কোন নেমপ্লেট, গ্রামের রোগীরা ছোটাছুটি করে এ ঘর থেকে ও ঘর (রুম), ঠিকমতো পাইনা ডাক্তার, আর এম ও হাসপাতালে থাকার কথা থাকলেও সেখানে আরএম ও ডাক্তার সাহেব কে পঃ পঃ কর্মকর্তা অফিস করেন রাজশাহী থেকে সাধারণ মানুষের আশা এই অবস্থান থেকে কবে মুক্তি পাবে পুঠিয়া হসপিটাল

আরও পড়ুনঃ  বাগমারায় ভবানীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মামুন, সম্পাদক পলাশ

এ ব্যাপারে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সূচনা মনোহারা বলেন, বিষয়টি ইতিমধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আমাদের অফিসিয়াল প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উক্ত অ্যাম্বুলেন্সটি উদ্ধার করা হবে।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।