নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

পদ্মা-তিস্তা ব্যারেজের কাজ দ্রুত শুরু করব : প্রধানমন্ত্রী

অক্টোবর ২০, ২০২৬ ৬:২৫ 👁️ ৬১ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু ও শেষ করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কৃষি উৎপাদন বাড়ানো, সেচের সুবিধা সম্প্রসারণ ও পানিসংকট দূর করতে এ দুটি প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন, ৪০ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা দ্বিগুণ করা এবং বন্ধ কলকারখানা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আখচাষিদের প্রণোদনা প্রদান অনুষ্ঠান ও জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বললেন, ‘পদ্মা ও তিস্তা দেশের দুটি বড় নদী। এসব নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে পানিসংকট মোকাবিলার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।’

পদ্মা নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানালেন, রাজশাহী অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এর অভাব অনুভব করছেন। এ অঞ্চলের কৃষি ও মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়নে পানির নিশ্চয়তা জরুরি। দেশের মানুষের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রয়োজনে অধিকার আদায়ে যত দূর যেতে হয়, সরকার সে চেষ্টা করবে।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য, পদ্মা ব্যারেজ নির্মিত হলে রাজশাহীসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ১৪ জেলার মানুষ উপকৃত হবেন।

কৃষিকে দেশের অর্থনীতির ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে, কৃষি বাঁচলে দেশ বাঁচবে।’

এ বিশ্বাস থেকেই আখচাষিদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান। প্রায় ৩৯ হাজার আখচাষির কাছে এ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে আগামী মৌসুমে আখ চাষের খরচের চাপ কিছুটা কমে।

নির্বাচনের আগে বিএনপি কৃষকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘সরকার গঠনের সাত দিনের মধ্যে এক লাখ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে দেশের প্রায় ১৩ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন।’

আরও পড়ুনঃ  ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের অধিকার সমান : প্রধানমন্ত্রী

ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হলে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে বলে জানালেন সরকার প্রধান।

‘কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা উৎপাদিত ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় সার, বীজ ও কীটনাশক সহায়তা পাবেন। বছরে দুই বা তিনটি ফসল উৎপাদন করলেও অন্তত একটি ফসলের উপকরণ দিয়ে তাদের কষ্ট কমানোর চেষ্টা করবে সরকার। এ কার্ডের মাধ্যমে ফসলের বিমা ও ব্যাংকঋণ গ্রহণের সুবিধাও থাকবে’— যোগ করেন তারেক রহমান।

কৃষকদের তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান জানিয়েছেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার তথ্য জানা যাবে। পরদিন বৃষ্টি হবে কি না, তা জানতে পারলে কৃষকেরা বীজ বপন বা সার প্রয়োগের মতো কাজের বিষয়ে আগাম সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এ কার্ডে প্রায় ১০ ধরনের সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃষির জন্য পানির সংকট দূর করতে খাল খনন ও নদী সংস্কার কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। বরেন্দ্র অঞ্চলের উন্নয়নেও সে সময় উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই ধারাবাহিকতায় কৃষকের সেচের সুবিধা বাড়ানো এবং গ্রামের মানুষের পানির কষ্ট কমাতে সরকার আবারও খাল ও নদী খননের কাজ শুরু করেছে।’

আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান দাবি করেন, গত ৮ মাসে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার খাল খননের কাজ শেষ হয়েছে। কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে কৃষকেরা সেচের পানি পাবেন। পাশাপাশি রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের যেসব এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে, সেখানে পানির সংকট কমবে এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণে সহায়তা মিলবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা ৫০ থেকে ১০০-তে উন্নীত করা হবে। এতে সাধারণ অসুস্থতার চিকিৎসার জন্য গ্রামের মানুষকে দূরের জেলা শহর বা মহানগরীতে যেতে হবে না। গুরুতর রোগীদের বড় হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন থাকলেও প্রাথমিক ও সাধারণ চিকিৎসা উপজেলা পর্যায়েই নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

উপজেলা হাসপাতালগুলোতে শিশু ও নারীদের জন্য আলাদা শয্যার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি কিডনি রোগীদের ডায়ালিসিসের সুবিধার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আরও কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে চায় সরকার।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানি বিনিয়োগকারীদের

রাজশাহীর চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে স্থানীয় নেতাদের দাবির প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, ‘এখানকার একটি মেডিকেলের শয্যাসংখ্যা ১ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০-তে উন্নীত করার দাবি জানানো হয়েছে।’ এ বিষয়ে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন।

চিকিৎসার ব্যয় কমানোর উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিডনি রোগীদের ডায়ালিসিসে ব্যবহৃত ওষুধের ওপর কর কমানো হয়েছে।’

তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে ডায়ালিসিসে প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হতো। এখন তা কমে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় এসেছে।

হৃদ্‌রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু সরঞ্জামের ওপরও কর কমানো হয়েছে বলে জানান তিনি। এতে আগে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা খরচ হতো, এমন কিছু চিকিৎসা-সামগ্রীর ব্যয় কমে ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকায় এসেছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু শ্রমিক কর্মহীন। এসব কারখানা চালু করতে সরকার দেশি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছে। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর লক্ষ্য উৎপাদন বাড়ানো এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে দেশের ছয়টি বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আরও প্রায় ৪৬টি বন্ধ কারখানা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কারখানা চালু হলে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান বাড়বে। একই সঙ্গে দেশের উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রপ্তানির সুযোগও তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তবে সরকারের কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করতে কিছু রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠী অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘সরকার দেশে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। কৃষককে স্বাবলম্বী করা, শ্রমিকের কর্মসংস্থান, বন্ধ শিল্প চালু এবং বেকারত্ব কমানো সরকারের লক্ষ্য। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এসব উদ্যোগের গতি কমিয়ে দিতে চাইছে।’

কয়েকটি শিল্পকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ তৈরির পেছনে পলাতক স্বৈরাচারী শক্তির অর্থায়ন রয়েছে বলে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তার অভিযোগ, দেশের বাইরে থেকে অর্থ সরবরাহ করে দেশের ভেতরে একটি গোষ্ঠীকে দিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেননি তিনি।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানালেন, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি নিয়েছে বিএনপি। গাছ মানুষের জন্য ফল ও ছায়া দেবে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করবে এবং তাপমাত্রা কমাতে সহায়তা করবে। রাজশাহী নগরীতে সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বে অতীতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  থাইল্যান্ডে বাড়ছে বাংলাদেশিদের ব্যবসা, বড় চ্যালেঞ্জ ভিসা-ব্যয়

নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় মেয়েদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকার মেয়েদের অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভালো ফল করা ছাত্রীদের বৃত্তি দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।’

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান, দুটিকেই ধারণ করে।’

গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ঢাকার ওসমানী উদ্যানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কথা উল্লেখ করেন তিনি। শহীদ পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থান এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসায় সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও কিছু রাজনৈতিক দল প্রতিনিধি পাঠায়নি বলে অভিযোগ করেন তারেক রহমান। তার মতে, রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তব আচরণের মিল থাকা জরুরি।

দেশে স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অর্থনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক অধিকার ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশও চায়। দেশের উন্নয়ন বিদেশ থেকে কেউ এসে করে দেবে না। দেশের মানুষকেই শ্রম ও পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশ গড়ে তুলতে হবে।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি নিপুন রায় চৌধুরী, রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল, রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন এবং আব্দুল মুক্তাদির এমপি প্রমুখ।

এর আগে মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে সামরিক বিমানে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি সরাসরি মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় যোগ দেন। বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে সেখানে পৌঁছান তিনি। পরে সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহী নগরীর ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে তার।

রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে রাতে ঢাকায় ফেরার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। এক দিনের সফরে তিন বিভাগের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।