নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

রামেবিতে কাটা হলো তালা, হাসি মুখে ফিরলেন উপাচার্য আপন ঠিকানায়

অক্টোবর ৮, ২০২৬ ৭:৪৭ 👁️ ১৪ views
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ হোসেনের উপস্থিতিতে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্যের কক্ষের তালা কেটে খুলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে এই তালা খোলা হয়।

আরও পড়ুনঃ  রোনালদোর পথ ধরে পর্তুগালের ক্যাম্প ছাড়েন আরও একজন

এর আগে উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে তাঁর উপশহরের বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

উপাচার্যকে নিয়ে আসার সময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদিন শিবলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান জনি, যুবদলের আহ্বায়ক মো. শরিফুল ইসলাম জনি, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লিমন ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আবিরসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। তালা খোলার পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেন।

এ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ হোসেন বলেন, “বহিরাগত কেউ কক্ষটিতে তালা ঝুলিয়েছিল। তালা খুলে কক্ষটি তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।”

যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি জানান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্দেশনা এবং মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটনের নির্দেশনায় তাঁরা উপাচার্যকে বাসা থেকে সসম্মানে নিয়ে এসেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন কোনো ধরনের দখল বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেয় না। অনাকাঙ্ক্ষিত ওই ঘটনায় দলের কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুনঃ  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

মঙ্গলবারের ঘটনা ও মামলা: গত মঙ্গলবার রামেবির অস্থায়ী কার্যালয়ে উপাচার্যকে একটি কাগজে জোরপূর্বক সই করতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠে। উপাচার্যের ভাষ্যমতে, তাঁকে কাগজটি পড়তে দেওয়া হয়নি এবং লাঞ্ছিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে তিনি সই করতে বাধ্য হন। পরে তাঁকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়।

ওই ঘটনায় ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সর্বশেষ গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন মো. আলী আকবর হোসাইন ও মো. দেলোয়ার হোসেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে জড়িত আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার মো. নাজমুল হোসাইন জানান, আজ সন্ধ্যায় ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু উপাচার্যকে তাঁর কক্ষে নিয়ে যাবেন। এরপর উপাচার্য গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। এ বিষয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকাল থেকেই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিদর্শন করেন জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রদল, যুবদল ও উলামাদলের নেতৃবৃন্দরা ।

আরও পড়ুনঃ  শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহানগর পূজা উদযাপন কমিটি ও মণ্ডপ সভাপতিদের সঙ্গে ভূমিমন্ত্রীর মতবিনিময়

এ দিকে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মব সৃষ্টি ও জোরপূর্বক উপাচার্যকে পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করার ঘটনায় আরো ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশ। এরা হলেন নগরীর বহরমপুর এলাকার আলী আকবর হোসাইন এবং একই এলাকার দেলোয়ার হোসেন ওরফে দুলাল। রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার গাজিউর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।