নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

গোদাগাড়ীতে সরকারি খাল ভরাট করে বন্ধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে আবেদন

অক্টোবর ৮, ২০২৬ ৯:২৩ 👁️ ৮ views
Link Copied!

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে চায়না প্রজেক্ট সংলগ্ন সরকারি পানি নিষ্কাশন খাল অবৈধভাবে ভরাট বন্ধ, কৃত্রিম জলাবদ্ধতা নিরসন করে ফসলি জমি রক্ষা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন।

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে পুলিশের অভিযানে ৩ অনলাইন জুয়াড়ি গ্রেপ্তার

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২টায় গোদাগাড়ী পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের (বিশেষ করে জাহানাবাদ ও সারাংপুর গ্রামের) স্থায়ী বাসিন্দা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পক্ষে এই আবেদন জানানো হয়।

গোদাগাড়ী সামাজিক সংগঠন ‘ঐক্য পরিষদ’-এর সভাপতি রেজাউল করিম জুয়েলের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস, গোদাগাড়ী পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ, ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এমদাদুল হক মুকুল, প্রতিবন্ধী অধিকার সংরক্ষণ সংস্থার সভাপতি নজরুল ইসলাম, সমাজ ও মানব কল্যাণ সংঘের মহাসচিব নুরে আলম অহিদসহ স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা।

আরও পড়ুনঃ  বড়াইগ্রামে পাশের বাড়ির টয়লেট থেকে যুবকের অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার

আবেদনে কৃষকরা উল্লেখ করেন, পৌরসভার সারংপুর মৌজায় (জেএল নং- ১৮২, আর.এস খতিয়ান নং- ২৩৭, দাগ নং-৬০৬/৮১৪) প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সরকারি খাল রয়েছে। আদিকাল থেকে এই খাল ও এর সংলগ্ন খাড়ি দিয়ে এলাকার এবং পার্শ্ববর্তী বাসুদেবপুর ইউনিয়নের বর্ষার পানি ও বিলের পানি নিষ্কাশিত হয়ে পদ্মা নদীতে গিয়ে পড়ে। এই পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করেই স্থানীয় কৃষকরা বছরের পর বছর তাদের জমিতে নির্বিঘ্নে চাষাবাদ করে আসছেন।

কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের পিছনে এবং চায়না প্রজেক্টের পাশে উক্ত খালের শেষ প্রান্তে পানি প্রবাহের পথটি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, শ্রীমন্তপুর গ্রামের মৃত জবেদ আলীর ছেলে গোলাম মোস্তফা গং গোপনে উক্ত সরকারি খালের পাড় নিজেদের দাবি করে গত ১ থেকে দেড় ১ মাস যাবত অবৈধভাবে মাটি ফেলে ভরাট করছে। এর ফলে এলাকায় কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে এবং শত শত একর ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। দ্রুত এই অবৈধ ভরাট বন্ধ না হলে কৃষকরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় আদিবাসী পরিষদ নিয়ামতপুর উপজেলার শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন

এ বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান জানান, আবেদনটি তিনি পেয়েছেন। দ্রুতই সরজমিনে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।