নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

অভিযোগ জানাতে গেলে থানার ভেতরেই নারীকে ধর্ষণ !

নভেম্বর ২, ২০২৬ ১০:৫২ 👁️ ১৯ views
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডের সেরাইকেলা-খারসাওয়ান জেলায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে থানার ভেতরেই এক পুলিশ কনস্টেবলের ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  চারঘাটে ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

রোববার (১ নভেম্বর) দেশটির সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৯ অক্টোবর রাতে ওই নারী অভিযোগ দায়ের করতে থানায় যান। সেখানে অবস্থানকালে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে।

ভুক্তভোগী নারী অভিযোগে জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর শারীরিক নির্যাতনের আশঙ্কায় তিনি বাড়ি ছেড়ে চলে যান। পরে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে নিজের মোবাইল ফোন থেকে থানায় যোগাযোগ করেন। পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল ওই রাতেই তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

আরও পড়ুনঃ  ডাবলিন বিমানবন্দরে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ সাঙ্গাকারার

থানায় দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা বিশ্রামের জন্য তাকে একটি কক্ষের ব্যবস্থা করে দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই কক্ষে অবস্থান করার সময় থানার ওয়্যারলেস অপারেটর হিসেবে কর্মরত এক কনস্টেবল তার ওপর হামলা চালান এবং ধর্ষণ করেন।

ঘটনাটি জানার পর সেরাইকেলার সিনিয়র পুলিশ সুপার (এসপি) মনোজ স্বর্গিয়ারী তদন্তের দায়িত্ব দেন সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার (এসডিপিও) অনুভব ভরদ্বাজকে।

তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর এসডিপিওর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

দায়িত্বে অবহেলা, দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ ও গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে গামহারিয়া থানার ওসি এবং আরও চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেন এসপি। পুলিশের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বরখাস্ত হওয়া পাঁচ সদস্যকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  পাসের হারে এগিয়ে ছাত্রীরা, জিপিএ-৫ বেশি ছাত্রদের

ঘটনার সময় অভিযুক্ত কনস্টেবলের পরনে থাকা পোশাক আলামত হিসেবে জব্দ করেছে পুলিশ। পরীক্ষার জন্য সেগুলো রাঁচির ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

এ ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। দলটির অভিযোগ, পুলিশ প্রশাসনের জবাবদিহি না থাকায় ঝাড়খণ্ডে এ ধরনের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।

ঝাড়খণ্ড রাজ্য বিজেপির সভাপতি ও রাজ্যসভার সংসদ সদস্য আদিত্য সাহু বলেন, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা থানায় পদায়ন পান। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও অভিযোগ করেন, এসব পুলিশ কর্মকর্তা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ছত্রচ্ছায়ায় বালু, লৌহ আকরিক ও কয়লা চুরির সুযোগ করে দিচ্ছেন। এ কারণে রাজ্যের ক্ষমতাসীন জেএমএম, কংগ্রেস ও আরজেডি জোটের ওপর থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা পুরোপুরি হারিয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।