স্টাফ রিপোর্টার : পরিবেশবান্ধব নির্মাণে রিহ্যাবকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, নির্মাণ ও মেরামতকাজে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশগত বিধিবিধান মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি নির্মাণে ইটের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বাড়াতে হবে।
রোববার (১১ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশের বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, নির্মাণকাজজনিত ধুলিদূষণ হ্রাস এবং নির্মাণে পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার বৃদ্ধিতে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, নির্মাণস্থল যথাযথ আবরণ দিয়ে ঘিরে রাখা, মাটি-বালিসহ নির্মাণসামগ্রী ঢেকে সংরক্ষণ এবং পরিবহনের সময় যানবাহন আচ্ছাদিত রাখতে হবে। নির্মাণসামগ্রী ও বর্জ্য পরিবহনকারী যানবাহনের চাকা পরিষ্কার করে সড়কে চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক ও ফুটপাতে নির্মাণসামগ্রী রেখে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও ধুলিদূষণ ঘটানো থেকে বিরত থাকতে হবে। নির্মাণস্থল ও আশপাশে প্রতিদিন কমপক্ষে দুইবার পানি ছিটানো এবং ধুলার পরিমাণ অনুযায়ী আরো ঘন ঘন পানি ছিটানোর ওপর গুরুত্ব দেন। নির্মাণবর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে ফেলে রাখা বা পোড়ানোর পরিবর্তে দ্রুত পরিবেশসম্মতভাবে অপসারণের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ধুলিদূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা প্রতিটি নির্মাণ প্রকল্পের দৈনন্দিন কার্যক্রমের অংশ করতে হবে।
রিহ্যাব প্রতিনিধিদলের পক্ষে সভাপতি ড. আলী আফজাল এবং সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক তাদের মতামত তুলে ধরেন। ব্লকের গুনগত মান নিশ্চিতকরণ এবং ইটের বিকল্প হিসেবে ব্লকের ব্যবহারে খরচ যাতে না বাড়ে, সে বিষয়ে দৃষ্টি দিতে সরকারকে অনুরোধ জানান।
সভায় নির্মাণ প্রকল্পে পরিবেশগত বিধিবিধান প্রতিপালন জোরদার, প্রকল্পভিত্তিক অগ্রগতির তথ্য সংগ্রহ এবং নিয়মিত পরিবীক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মোঃ সাইদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এবং রিহ্যাবের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।#

