নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

বাংলাদেশ । । ।

গোদাগাড়ীতে পদ্মার তীব্র ভাঙন, আতঙ্কে দিশেহারা মানুষ

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ ৯:০৯ 👁️ ৬ views
Link Copied!

মুক্তার হোসেন, গোদাগাড়ী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় হঠাৎ করেই পদ্মা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও পৌর এলাকায় নদীর আগ্রাসী ভাঙনে ঘরবাড়ি, মসজিদ, স্কুল ও শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভিটেমাটি ও সর্বস্ব হারিয়ে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াড়ি এজেন্ট গ্রেপ্তার

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৭ নম্বর দেওপাড়া ইউনিয়নের নিমতলা ও খারিজাগাতি গ্রামে ব্যাপক নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। একইভাবে গোদাগাড়ী পৌর এলাকার সারাংপুর, কাচারীপাড়া, রেলবাজার, কুঠিপাড়া ও বারুইপাড়া অঞ্চলে পদ্মার ভাঙন হঠাৎ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

ভাঙনের ভয়াবহতা নিয়ে বারুইপাড়ার বাসিন্দা আফজাল সরকার এবং সারাংপুর এলাকার রমজান আলী জানান, পদ্মার পানি বাড়া ও কমার সাথে সাথে স্রোতের তীব্রতায় প্রতিদিন ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীগর্ভে ধসে পড়ছে। দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা না হলে এই অঞ্চলের বহু পরিবারকে নিঃস্ব হতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  নগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী গ্রেপ্তার

এদিকে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান।এ সময় তার সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ল রিফর্ম কমিটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন। তিনি পৌর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কুঠিপাড়া, সারাংপুর ও সুলতানগঞ্জ এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কথা বলেন।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে ইউএনও ইসরাত জাহান বলেন, এলাকার ভাঙন পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে।
২৮ সেপ্টম্বর রাজশাহী জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তারা দুর্গত ও সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুনঃ  যশোরের শার্শায় এক সপ্তাহে শিশুসহ ২২ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত

ভাঙন রোধে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অঙ্কুর বলেন, “আমরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভিত্তিতে কিছু অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিওব্যাগ দিয়ে বালুর বস্তা ফেলার কাজ শুরু করা হয়েছে।” ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সময়ের কথা ২৪ লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন somoyerkotha24news@gmail.com ঠিকানায়।